ন্যূনতম মজুরিসহ ১৫ দফা দাবিতে নৌযান শ্রমিকদের ধর্মঘটে ঢাকাসহ সারা দেশে দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। পণ্য পরিবহনও স্থবির হয়ে পড়েছে। তবে সরকারি মালিকানার কয়েকটি যাত্রীবাহী জাহাজ চলছে। কয়েক দফা ধর্মঘটের ডাক দিয়েও কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে শেষ পর্যন্ত তা প্রত্যাহার করেছিল নৌযান শ্রমিক ফেডারেশন। পরে দাবি আদায় না হওয়ার অভিযোগে বুধবার রাত থেকে ধর্মঘট শুরু করেন তারা। দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। বিঘ্নিত হচ্ছে পণ্য পরিবহন।
চট্টগ্রাম থেকে সারা দেশে নৌপথে পণ্য পরিবহন বন্ধ হয়ে গেছে। বন্ধ রয়েছে গভীর সমুদ্রে মাছ শিকারও। চট্টগ্রাম বন্দরের বহিরনোঙ্গরে মাদার ভেসেল থেকে লাইটারেজ জাহাজে পণ্য খালাস এবং ছাড়া বন্ধ রয়েছে। খুলনা এবং মংলা বন্দরেও পরিবহন বন্ধ রয়েছে সব ধরনের দেশি-বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজের পণ্য বোঝাই-খালাস।
ভোলা, পটুয়াখালীসহ বরিশাল বিভাগের ৬ জেলায় প্রতিদিন সারা দেশে প্রায় ৩ হাজার নৌযান চলাচল করে। ধর্মঘটের কারণে বন্ধ রয়েছে তা। চাঁদপুর থেকে কমপক্ষে ২০টি রুটে যাত্রীবাহী লঞ্চসহ সব ধরনের নৌ-যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে ধর্মঘটের মতো কর্মসূচী দিতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানিয়েছেন নৌযান শ্রমিক নেতারা।
নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শাহ আলম বলেন,‘ একেবারে সর্বনিম্ন গ্রেডে শ্রমিকদের মজুরির বিষয়ে মালিকরা সম্মতি দিচ্ছে না। আশ্বাসে আন্দোলনের পরিসমাপ্তি ঘটবে না। মজুরি সংক্রান্ত বিষয়টির সমাধান হতে হবে’।
সারা দেশের চাল, ডাল, তেলসহ নিত্য প্রয়োজনী অনেক পণ্য সরবরাহ হয় নৌপথে। নৌ শ্রমিকদের ধর্মঘটে বিদেশে পণ্য পরিবহনে জটিলতার পাশাপাশি দেশের বাজারে বিরূপ প্রভাবের আশংকা করছেন ব্যবসায়ীরা।








