সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যে শুধু তরুণ প্রজন্মের জন্য তা নয়। এতে যুক্ত হতে পারেন বাবা-মা ও বয়স্ক ব্যক্তিরাও। আমরা যেমন ভালো লাগার অংশ হিসেবে এগুলো ব্যবহার করি, তেমনি এর সাথে তাদেরও ভালো লাগার যোগ আছে। এর কিছু উপকারি দিক হতে পারে-
- বাবা-মা তাদের একাকীত্ব অনেকটা ভুলে থাকতে পারবেন। যদি তাদের মধ্যে কেউ মিসিং থাকেন তবে অপর পক্ষের জন্য এই মাধ্যমগুলো ব্যবহার খুবই ইতিবাচক। তাহলে একাকীত্বটা অনেকটাই ঘুচবে।
- বাবা-মার কাছে থেকে এখন সন্তানেরা অনেকটাই দূরে থাকেন। পড়াশোনা, চাকরি নানা কারণে তৈরি হওয়া এ দুরত্বের কষ্ট দূর করতে সাহায্য করবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো।
- সন্তানের ভালো থাকার ছবিগুলো দেখলে বাবা-মারও ভালো লাগবে। কারণ, ছবি-আনন্দ এসব তো শুধু বন্ধুদের সাথে শেয়ার করার জন্য নয়, বাবা-মার জন্যও।
- বাবা-মা যখন ফেসবুকে আপনার শেয়ার করা ছবিতে লাইক, কমেন্ট দেবে, তখন দেখবেন প্রশান্তিটা আপনারও বাড়বে। মনে হবে আমার আনন্দ যেন পূর্ণতা পেল।
- অন্যদিকে আপনার বন্ধু-বান্ধব, তাদের সমবয়সী এবং পরিবারের অন্যদের যখন তারা মিউচুয়াল ফ্রেন্ড হিসেবে পাবে তখন দেখবেন তারা ভার্চুয়াল জগতে বেশ সুখেই আছে। কারণ, এখন তো চাইলেও আমরা তাদের পর্যাপ্ত সময় দিতে পারিনা। তাদেরকেও তো ভালোথাকার একটা স্পেস তৈরি করে দিতে হবে।
- বাবা-মাকে যখন এসবের সাথে যুক্ত করা হবে তখন তারা আর নিজেদের সেকেলে ভাবতে শুরু করবেননা। ফলে আত্নবিশ্বাস তাদেরকে আরও চাঙ্গা রাখবে।
- বাবা-মাকে এসব মাধ্যমে যুক্ত করার সাথে সাথে ছবি, ভিডিও ইত্যাদি শেয়ারের রুচিবোধের ব্যাপারে আপনার সচেতনতা আরও বাড়বে।
সর্বোপরি বাবা-মাকে ভালো রাখতে হলে, আজকাল পর্যাপ্ত সময় দিতে না পারার বিকল্প হতে পারে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো। ফেমিনা।









