সাবেক প্রধান বিচারপতি লতিফুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মঙ্গলবার বেলা ১১ টার পর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ বসেনি এবং দুপুরের পর চেম্বার বিচারপতির আদালত ও হাইকোর্ট বিভাগ বসবে না বলে জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত রেজিষ্ট্রার (প্রশাসন ও বিচার) মো. সাব্বির ফয়েজ।
তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা।
মো. সাব্বির ফয়েজ চ্যানেল আই অনলাইনকে জানান, মঙ্গলবার বাদ যোহর সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে বিচারপতি লতিফুর রহমানের জানাযা অনুষ্ঠিত হবে।
সাবেক প্রধান বিচারপতি ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা লতিফুর রহমান রাজধানীর সমরিতা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার ভোরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি নিউমোনিয়াসহ নানা রোগে ভুগছিলেন।
লতিফুর রহমানের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন বিএনপি চেয়াপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সাবেক প্রধান বিচারপতি ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট আইনজ্ঞ লতিফুর রহমান ১৯৩৬ সালে ১ মার্চ যশোর শহরে জন্মগ্রহণ করেন। পেশাজীবনের শুরুতে লতিফুর রহমান কায়েদে আজম কলেজ (বর্তমান শহিদ সোহরাওয়ার্দি কলেজ) ও জগন্নাথ কলেজে (বর্তমান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) প্রভাষক হিসেবে কাজ করেন।
১৯৬০ সাল থেকে তিনি ঢাকা হাইকোর্টে আইন পেশা শুরু করেন। তিনি শুরুতেই এমএইচ খন্দকারের নিকট শিক্ষানবিশ ছিলেন। এমএইচ খন্দকার বাংলাদেশের প্রথম অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন।
১৯৭৯ সালে লতিফুর রহমান সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন। ১৯৮১ সালে তার বিচারকের চাকরি স্থায়ী হয়। ১৫ জানুয়ারি ১৯৯১ তিনি সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।
লতিফুর রহমান ২০০১ সালের ১ জানুয়ারি দেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনি প্রধান বিচারপতি থাকাকালে অবসর গ্রহণ করেন। অবসর প্রাপ্ত বিচাপতি হিসেবে তিনি ২০০১ সালের ১৫ জুলাই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।









