কিছুদিন দিন ধরে মিডিয়ায় জোড় গুঞ্জন উঠেছিলো অভিনেত্রী সোহানা সাবা ও নির্মাতা মুরাদ পারভেজ একি ছাদের নিচে থাকচ্ছেন না। তা এবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিভিন্ন গণমাধ্যমকে জানালেন ‘বৃহন্নলা’ খ্যাত নায়িকা সোহানা সাবা।
সাবা তার সংসার জীবনের অভিজ্ঞতা বিষয়ে বলেন, আমাদের দুজনের ছাড়াছাড়ির বিষয়টি চুড়ান্ত। আসলে অনেক অল্প বয়সে বাবা-মায়ের ইচ্ছের বিরুদ্ধে মুরাদকে বিয়ে করেছিলাম। তাকে বিয়ে করার একটি মাত্র কারণ ছিলো, সেটি ভালোবাসা। বিয়ের পর খুব সুন্দর মুহুর্ত কাটিয়েছি মুরাদের সঙ্গে। আমাদের একমাত্র ছেলেকে নিয়ে স্বপ্নের মতো কিছু বছর পার করেছি আমরা।
সাবা তাদের আলাদা হবার কারণ উল্লেখ করে বলেন, ‘গত ২৭ সেপ্টম্বর থেকে আমরা আলাদাভাবে বসবাস করছি। কারণ আমাদের পরস্পরের মধ্যে মতের অমিল রয়েছে। আমরা বোঝাপড়া করে ঠিক করেছি, একসাথে আর নয়। পারস্পরিক বোঝাপড়ায় আমাদের বিচ্ছেদ হয়েছে। এজন্য আইনী পদক্ষেপ নিয়েছি আমরা।
সবার উদ্দেশ্যে সাবা বলেন, ব্যক্তিগত জীবনে আমি কী করছি, কী ভাবছি, কোথায় যাচ্ছি, পছন্দ-অপছন্দ এগুলো মানুষকে জানাতে পছন্দ করি না। তবুও ব্যাপারটি বিকৃত হয়ে যাতে নোংরা কাঁদা ছোঁড়াছুঁড়ির সুযোগ বাইরের কেউ না পায়, সেজন্য এতোটুকুই জানালাম। এর বেশি কিছু না।
এবারের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সেরা পরিচালক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মুরাদ। তবে ঘোষণার পররপর পরিচালক ও চিত্রনাট্যকারের বিরুদ্ধেই গল্প ‘চুরি’র গুরুতর অভিযোগ উঠে কলকাতা থেকে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেন, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের মান এবং এর জুরিবোর্ডের সদস্যদের যোগ্যতা নিয়েও আর এ নিয়ে ফেঁসে যাচ্ছেন ২০০৮ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত পরিচালক মুরাদ পারভেজ। আর বির্তকটি কোনোভাবে মেনে নিতে পারছেন না সাবা।
সোহানা সাবা এবং মুরাদ পারভেজের বিয়ে হয় ২০১০ সালে। বিয়ের প্রায় ৪ বছর পর ২০১৪ সালের ১৮ অক্টোবর তাদের কোল জুড়ে আসে এক পুত্র সন্তান।





