রাজধানীর কুড়িল থেকে জব্দ করা ৫০ কোটি টাকা মূল্যের সাপের বিষ চোরাই পথে আমদানী করে বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানীতে সরবরাহ করা হতো বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে আটককৃতরা।
সোমবার রাতে এই বিষসহ ৫ জনকে গ্রেফতারও করে গোয়েন্দা পুলিশ-ডিবি। গ্রেফতারকৃতরা হলেন; আবু হানিফ, আফছার আলী, নজরুল ইসলাম, মুক্তার হোসেন ও রহিচ উদ্দিন।
মঙ্গলবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে যুগ্ম কমিশনার আবদুল বাতেন বলেন, এসব সাপের বিষের নাম করে তৃতীয় কোনো পক্ষ থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল এই প্রতারক চক্রের।
গোয়েন্দা পুলিশের দাবি, এগুলো সাপের বিষ নাও হতে পারে। জব্দকৃত সাপের বিষ আসল না নকল তা পরীক্ষার জন্য সাইন্স ল্যাবরেটরীতে পাঠানো হবে।
“আটককৃতরা কোনো একটি প্রতারক চক্রের সদস্য হতে পারে। কারণ তাদের কাছ থেকে একটি এলিয়েন প্রাইভেট কারও উদ্ধার করা হয়েছে। যা দিয়ে তারা প্রতারণা করে বেড়াত বলে মনে হচ্ছে।”
ডিবির দাবি, যে পরিমাণ সাপের বিষ (১২ পাউন্ড) উদ্ধার করা হয়েছে তার দাম আন্তর্জাতিক বাজারে ৫০ কোটি টাকা কম নয়।
গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার আরো বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে ১০ গ্রাম সাপের বিষের দাম ৩-৪ হাজার ডলার। দেশে ওষুধ কোম্পানীগুলো চাহিদা মতো সাপের বিষ আমদানি করে থাকে। তবে তা নিয়ম মতো এলসি খোলার মাধ্যমে করে থাকে। আর এ চক্রটির দাবি, তারা ফ্রান্স থেকে ভারত হয়ে এসব সাপের বিষ দেশে এনেছে।









