তাসকিনের প্রত্যাবর্তন আর সাকিব-তামিমের মাইলফলকে পৌঁছার দিনে
আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৭ রানের জয় পেয়েছে মাশরাফি বিন মর্তুজার নেতৃত্বাধীন
‘টিম টাইগার্স’।
সম্প্রতি সময়ে অনেকটাই ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে নির্বাসনে
থাকা টাইগাররা জয় করে নিয়েছে দীর্ঘ দিনের অনভ্যস্ততাকে। কারণ গত বছর
নভেম্বরের পর থেকেই ওয়ানডে ক্রিকেটের বাইরে মাশরাফি বাহিনী। আর এ সময়ের মধ্যে ১০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছে আফগানরা।
বোলিং অ্যাকশন শুধরে আন্তর্জাতিক ফিরেই স্বরূপে ফিরেছেন তাসকিন আহমেদ। প্রয়োজনীয় সময়ে তার তুলে নেওয়া চার উইকেটে জয় পায় টিম টাইগার্স। তবে গত কয়েক বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে টিমকে সাপোর্ট দিয়ে যাওয়া আল আমিন হোসেনের অভাবটা ছিলো চোখে পড়ার মতো।
টসে জিতে ব্যাট করতে নামা টাইগারদের শুরুটা খুব একটা ভালো ছিলো না। স্কোর বোর্ডে ১ রান যোগ হতেই প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন সৌম্য সরকার। দৌলত জাদরানের বলে তিনি শাবিরের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন।
তবে সৌম্যের ফেরাতে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি টাইগারদের। ইমরুল কায়েসকে সঙ্গী করে প্রাথমিক বিপর্যয় সামাল দেন তামিম ইকবাল। আফগানদের বিপক্ষে এটি তামিমের দ্বিতীয় দেখা। এর আগে, অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড বিশ্বকাপে আফগানদের বিপক্ষে টাইগাররা ১১৫ রানের বিশাল জয় পেলেও নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে ব্যর্থ হন তামিম। মাত্র ১৯ রানেই থামে তামিম ব্যাট।
তবে আজ ফেরার আগে ৮০ রানের একটি ঝকঝকে ইনিংস উপহার দেন টাইগার এ ড্যাশিং ওপেনার। আর তাতেই টেস্ট-ওয়ানডে এবং টি২০ ক্রিকেটের তিন সংস্করণে ৯০০০ রানের মাইলফলক পেরোলেন তিনি।
এরপরই তামিমের সঙ্গে ৮৭ রানের পার্টনারশিপ গড়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরলে তামিম ফেরেন দলীয় ১৬৩ রানে। তামিমের পর মাহমুদউল্লাহ এবং সাকিব আল হাসান বাদে অন্য কোনো ব্যাটসম্যানই দুই অঙ্কের স্কোর গড়তে ব্যর্থ হলে ২৬৫ রানেই থামে টাইগারদের ইনিংস।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৪৬ রানের মধ্যেই দুই উইকেট হারিয়ে বসে আফগানরা। তবে, দুর্বল ফিল্ডিং এবং সময় মতো বোলারদের ব্রেক থ্রু এনে দেওয়ার ব্যর্থতা বড় হয়ে দেখা দিয়েছে এ ম্যাচে। তৃতীয় উইকেট জুটিতে রহমত শাহ এবং হাসমাতুল্লাহ শহীদি ১৪৪ রানের পার্টনারশিপ গড়লে একটা সময় জয় সময়ের ব্যাপার মনে হচ্ছিলো আফগানদের জন্য।
তবে শেষ দিকে আফগান ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতা এবং তাসকিন-রুবেলে জ্বলে ওঠায় ৭ রানের জয় পায় বাংলাদেশ।







