প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক পারিবারিক।
সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার সেনাকুঞ্জে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনসহ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কার্যক্রম আন্তর্জাতিক অঙ্গনে খুবই প্রশংসিত হয়েছে।
এসময় প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, আধুনিক সশস্ত্র বাহিনী গড়ার জন্য আমরা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীকে আরো আধুনিক করে গড়ে তোলা হবে।
বিশ্ব দরবারে বাঙালি জাতি যে মর্যাদা পেয়েছে তা ধরে রাখতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৫ই আগস্টে ভয়াবহ হামলা আসে আমাদের পরিবারের উপরে।
“আমরা এখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে চাই।”
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে ২১ নভেম্বর তারিখটি জড়িয়ে আছে ওতোপ্রতোভাবে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৭১ সালের এই দিনে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী নিয়ে বাংলাদেশ সামরিক বাহিনী গঠন করা হয়। প্রতি বছর ২১ নভেম্বর তাই উদযাপিত হয় সশস্ত্র বাহিনী দিবস।
আনন্দ-আয়োজনে সেনাকুঞ্জে উপস্থিত হন সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তারা। আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে থাকেন বিভিন্ন শ্রেণীপেশার বিশিষ্ট ব্যক্তি। এদিন ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জ পরিণত হয় মিলনমেলায়।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষমন্ত্রী শেখ হাসিনা অতিথিদের সঙ্গে ঘুরে ঘুরে কুশল বিনিময় করেন। অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তৃতায় বর্তমান সরকারের সময় সশস্ত্র বাহিনীর উন্নয়নে নেয়া পদক্ষেপগুলো তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
জনগণের পাশে থেকে সেনাবাহিনীকে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। বলেন, সশস্ত্র বাহিনীকে একবিংশ শতাব্দির চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সক্ষম করে গড়ে তোলা হচ্ছে।
সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি জনসেবার কাজে সশস্ত্র বাহিনীর সম্পৃক্ততায় ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়া এবং ওই এলাকায় সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার ক্ষেত্রে সেনাবাহিনীর কাজের প্রশংসা করেন তিনি।
বিস্তারিত দেখুন নীলাদ্রি শেখরের ভিডিও রিপোর্টে:










