জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা বিচারাধীন স্পর্শকাতর মামলা দ্রুত
নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত। রেজিস্ট্রার দপ্তর জানিয়েছে, এ জন্য আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের থাকা মামলার তালিকা করা হচ্ছে।
এমন উদ্যোগকে
স্বাগত জানিয়ে এ্যাটর্নি জেনারেল বলেছেন, এর পাশাপাশি জঙ্গিরা যাতে সহজে
জামিন না পায় সেজন্য তদারকি সেল গঠন করা উচিত।
সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলার ঘটনার পর জঙ্গিদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলা, আসামীর সংখ্যা এবং আসামীদের জামিন নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ হচ্ছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে সুপ্রিমকোর্টের রেজিস্ট্রার কার্যালয় স্পর্শকাতর মামলার তালিকা করার কাজ শুরু করে।
অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার সাব্বির ফয়েজ জানান, সবশেষ হিসাব অনুযায়ী আপিল বিভাগে ৮ বা ১০টি আর হাইকোর্ট বিভাগে বেশ কিছু মামলা আছে। আসামীদের মধ্যে মুফতি হান্নানসহ বেশ কয়েকজন জঙ্গি নেতা আছে।
মামলাগুলোর পেপারবুক তৈরিসহ অন্যান্য বিষয় যাতে সময়মতো হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখছেন তারা। উদ্দেশ্য দ্রুত মামলার নিষ্পত্তি। এ বিষয়ে অবস্থান তুলে ধরেছেন এ্যাটর্নি জেনারেল।
এ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, দ্রুত নিশ্চয়ই প্রয়োজন। কিন্তু তার চেয়েও বড় উদ্যোগ হলো একটা সেল করে কখন জামিন পেয়ে যায় তা দেখা।
“যারা জেলে আছে আজ হোক-কাল হোক তাদের বিচার হবে। এটা কোর্টের প্রসেসে হবে। কিন্তু ভীতিকর অবস্থা হলো তারা নানারকম চতুরতার আশ্রয় নিয়ে জামিন নিয়ে যাচ্ছে। এটাকে প্রতিহত করা দরকার।”
আর বিদ্যমান আইন সংশোধনের পরামর্শ দিয়েছেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ।
তিনি বলেন, সরকারের উচিত যেই মুহূর্তে আদালত থেকে পূর্বানুমতির কোন দরখাস্ত কিংবা কোন আদেশ চাওয়া হয় এটা তড়িৎ গতিতে পূর্বানুমতি দেয়া এবং আদালতে পাঠিয়ে দেয়া। এটাকে আরও কার্যকরী করার জন্য এবং বিশেষ আদালতে বা দ্রুত বিচার আইনে করার জন্য ব্যবস্থা বা বিধান রেখে আইনটা সংশোধন করা উচিত।
জঙ্গি হামলা সংক্রান্ত মামলার দ্রুত তদন্ত, সাক্ষী হাজির নিশ্চত করা এবং বিচারিক কাজের সময় ঠিক করে দেওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন সাবেক আইনমন্ত্রী।










