গণতন্ত্রের প্রতি দায়বদ্ধতা থাকলে সরকারকে সমঝোতায় আসতেই হবে বলে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তিনি (ওবায়দুল কাদের) যতো যাই বলুক না কেন সরকারকে সমঝোতায় আসতেই হবে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলেনে তিনি বলেন, অতীতেও তারা সমঝোতা চায়নি। কিন্ত আসতে হয়েছে। সমঝোতায় আসার অতীত ইতিহাস আছে। তা অস্বীকার করা যায় না।
“গণতন্ত্র, বহুদলীয় শাসন, জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার জন্য অবশ্যই আলোচনা করতে হবে, সমঝোতায় আসতে হবে।”
ফখরুল বলেন, আমরা সংঘাত চাই না। আমরা সমঝোতা চাই। আলোচনা চাই। তবে যেকোন মূল্যে গণতন্ত্র, বহুদলীয় শাসন শাসন ও ভোটাধিকার নিশ্চিত করা হবে।
৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবসের প্রেরণায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে অংশ নেয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ফেনীতে কি ঘটেছে, কারা ঘটিয়েছে তা সবাই জানেন। আজকের গণমাধ্যমে ছবি সহ সব প্রকাশিত হয়েছে। আমরা আশা করেছিলাম সরকার এ ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করবে এবং দোষীদের শাস্তির আওতায় আনবে। তা না করে তারা মিথ্যাচার করছে।
বিএনপি মহাসচিব ৭ নভেম্বরকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ দিবস দাবি করে এ দিবসকে পুঁজি করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সবাই এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
৭ নভেম্বর উপলক্ষে ১০ দিনের কর্মসূচি বিএনপির:
সংবাদ সম্মেলেনের আগে দুপুর ৩টায় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব, যুগ্ম মহাসচিববৃন্দ এবং বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের নিয়ে এক যৌথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সভায় যথাযোগ্য মর্যাদায় ৭ নভেম্বর পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ বিষয়ে কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিএনপির মুখপাত্র ও জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রহুল কবির রিজভী।
৫ নভেম্বর থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে; ৭ নভেম্বর সকাল ৬টায় কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও সারাদেশের দলীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল ১০টায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে জিয়াউর রহমানের কবরে পুস্পার্ঘ অর্পণ ও শ্রদ্ধাজ্ঞাপন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের পোস্টার ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ, বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আলোচনা সভা, আলোকচিত্র প্রদর্শনী, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও রচনা প্রতিযোগিতা।







