সব মোবাইল সংযোগের নতুন করে নিবন্ধন করতে হবে। রোববার টেলিযোগাযাগ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ এক সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
আইন-শৃঙ্খলাবাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর উপস্থিতিতে টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং বিটিআরসি’র বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।
এ বছরের মধ্যে পুন:নিবন্ধনের কাজ শেষ হবে। তবে তার আগে নির্বাচন কমিশন থেকে জাতীয় পরিচয়পত্রের ডেটাবেজের কানেকটিভিটি দেওয়া হবে মোবাইল ফোন অপারেটরদেরকে। এ বিষয়ে আজ কালের মধ্যে নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্টদেরকে চিঠি লিখবেন তারানা হালিম।
আর একই সঙ্গে পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে মোবাইল ফোন অপারেটরসহ অন্যদের সঙ্গে এ সপ্তাহেই বৈঠক করবেন তিনি।
এর আগে ২০০৮ সালেও একবার সকল সিমের পুন:নিবন্ধন হয়েছিলো। তবে তখন জাতীয় পরিচয়পত্রের মতো সর্বজন গ্রহণযোগ্য কোনো পরিচয়পত্র না থাকায় সে সময়ের পুন:নিবন্ধন প্রক্রিয়া কাজে লাগেনি। সাম্প্রতিক সময়ে মোবাইল ফোন কেন্দ্রিক বিভিন্ন অপরাধ এতোটাই বেড়ে গেছে যে সরকারকে নতুন করে নিবন্ধনের কথা ভাবতে হচ্ছে।
তারানা হালিম বলেন, সকল অপরাধের সূত্রে থাকছে মোবাইল সিম। তাই এটির সঠিক নিবন্ধন হওয়া খুবই জরুরী।
সাম্প্রতকি সময়ে তিনি নিজেও অনিবন্ধত সিমের বিষয়ে রাস্তায় নেমে অভিযান পরিচালনা করছেন। একই সঙ্গে সকল জেলা প্রশাসককেও মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্যে চিঠি লিখেছেন তারানা।
টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, তারা মার্কেটকে কোনো অবস্থায় ডিস্টাবেল করতে চান না। কিন্তু তাই বলে এমন পরিস্থিতিও মেনে নেওয়া যায় না যে যেমন ইচ্ছা সিম বিক্রি হবে।
এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে বর্তমানে দেশে কার্যকর থাকা ১২ কোটি ৮৭ লাখ মোবাইল সিমের সবগুলোই পুন:নিবন্ধন করতে হবে। মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।
তারা বলছেন, কোনো না কোনো সময় অামাদেরকে পুন:নিবন্ধনের যেতেই হতো। সেটা এখন হয়ে যাওয়াই উত্তম।
তবে এক্ষেত্রে গ্রাহক ভোগান্তি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মোবাইল ফোন অপারেটরদের খরচও কয়েকশ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।
অপারেটরগুলো বলছে, দেশে বর্তমানে চালু থাকা সিমের ৭০ শতাংশের নিবন্ধনই সঠিক নয়।






