প্রায় ৬ বছর পর শনিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিএনপির জাতীয় কাউন্সিল। দলের নেতারা মনে করছেন, এ কাউন্সিল নেতাকর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করবে, আর এই কাউন্সিলের মাধ্যমেই বিএনপি ঘুরে দাঁড়াবে।
বিএনপি নেতৃত্ব জানিয়েছেন, স্থায়ী কমিটি ও নির্বাহী কমিটিতে পরিবর্তন হতে পারে, সংশোধন করা হবে দলীয় গঠনতন্ত্র।
২০০৯-এর ১৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়েছিলো বিএনপির সর্বশেষ জাতীয় কাউন্সিল। নানা টানাপোড়েনের পর দলকে সুসংগঠিত করতে আবারো বিএনপির জাতীয় সম্মেলন। দলের এই ষষ্ঠ কাউন্সিলকে সামনে রেখে প্রস্তুতি চলছে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে। কর্মীদের পাশাপাশি সিনিয়র নেতারাও প্রস্তুতির কাজ তদারকি করছেন।
সকাল ৮টা থেকে শুরু হবে প্রথম অধিবেশন। প্রথম অধিবেশন শেষ হওয়ার আগে বেলা ১২টায় বক্তৃতা করবেন চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। বেলা ৩টায় শুরু হবে দ্বিতীয় অধিবেশন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) আ স ম হান্নান শাহ জানান, ‘যদি আওয়ামী লীগ প্রধান ও সাধারণ সম্পাদক আমাদের আমন্ত্রণ গ্রহণ করে আসেন, আমরা নিশ্চয়ই খুশি হবো। আমরা অনেকগুলো প্রস্তাবনা পেয়েছি। সেগুলো গতকাল (বৃহস্পতিবার) স্থায়ী কমিটির মিটিংয়ে উত্থাপন করে পর্যালোচনা করেছি।’
সেখান থেকে বেশ কয়েকটি প্রস্তাব বা সংশোধনী দ্বিতীয় অধিবেশনে শনিবার কাউন্সিলরদের সামনে উত্থাপন করা হবে। তারা পাস করলে সেগুলো বিএনপির গঠনতন্ত্রে অন্তর্ভুক্ত হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
শেষ দিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের একাংশের অনুমতিও পেয়েছে বিএনপি। সিনিয়র নেতারা বলছেন, কাউন্সিল নিয়ে কিছু বাধা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা সফলই হবে।
স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘আমাদের কাউন্সিলকে ঘিরে গত তিনদিন যাবৎ সারা দেশ থেকে ছুটে আসছে আমাদের নেতাকর্মীরা। কাল কাউন্সিলের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সেই সংখ্যা কততে গিয়ে দাঁড়াবে, তা এখন উপলব্ধি করা যাবে না।’
ঢাকা শহরের পথে প্রান্তরে কাউন্সিলরদের ছুটোছুটি দেখে দলটি আশাবাদী যে, সবাই মিলে সংগঠনটিকে একটি মজবুত ভিতের ওপর দাঁড় করিয়ে একটি সুশৃঙ্খল সংগঠন উপহার দিতে পারবেন।
নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী জানিয়েছেন সব উপ-কমিটি কাউন্সিলের প্রস্তুতি শতভাগ সম্পন্ন করেছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কাউন্সিল করার অনুমতি দেয়ায় সরকারকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।






