সিলেট থেকে: বাংলাদেশে আসার আগে নিজেদের দলটাকে দুই ভাগ করেছে ফিলিপিন্স। মূল দলটাকে পাঠিয়েছে কাতার। ওমানের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলার জন্য। আর বাকি দলটা এসেছে বাংলাদেশে। এই দলটাও হয়েছে দুই ভাগে বিভক্ত। যার এক অংশ আসছে বুধবার দুপুরে, লাওসের বিপক্ষে ম্যাচের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে!
বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক গোল্ড কাপে লাওসকে প্রথম ম্যাচে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয় পর্বে যাওয়ার ৫০ শতাংশ কাজ সেরে রেখেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচের আগেই ১০০ শতাংশ কাজও সারা হয়ে যেতে পারে যদি বুধবার ফিলিপিন্সের বিপক্ষে হার অথবা ড্র করে লাওস। তাহলে ৫ অক্টোবর এই ফিলিপিন্সের বিপক্ষে অনেকটা নির্ভার হয়েই মাঠে নামতে পারবে জেমি ডের দল।
বুধবারের ম্যাচ নিয়ে বাংলাদেশের যতটা না মাথাব্যথা, ফিলিপিন্সের ঠিক যেন তার উল্টো। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক গোল্ড কাপ যে তাদের কাছে অনেকটা গা গরমের টুর্নামেন্ট সেটা স্পষ্ট।

কোনো দলকে যদি গুরুত্বের বিবেচনায় টিম ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’ অনুসারে ভাগ করা হয় তাহলে বাংলাদেশে এসেছে ফিলিপিন্সের ‘বি’ ও ‘সি’য়ের মাঝামাঝি দলটা। সিলেটে এখন অবস্থান করছেন তাদের ১৬ জন খেলোয়াড়। বাংলাদেশে আসা বেশিরভাগ খেলোয়াড়ের উদ্দেশ্য জানুয়ারিতে এশিয়া কাপের স্কোয়াডে জায়গা করে নেয়া।
মূল কোচ ও অধিনায়কসহ দলের বাকি খেলোয়াড় দলের সঙ্গে যোগ দেবেন দুপুরে। সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনিটে লাওসের সঙ্গে ম্যাচ। ভ্রমণ-ক্লান্তি নিয়ে কয়েক ঘণ্টা পরেই মাঠে নেমে পড়বেন এ খেলোয়াড়া; এমনটা ভাবা যাচ্ছে না। তাই অনেকটা জোড়াতালি দেয়া দলই ম্যাচে নেমে পড়বে লাওসের বিপক্ষে। আর এই দলটা যদি হেরে বসে তাহলে শেষ ম্যাচে কঠিন লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামতে হবে লাল-সবুজদের।







