সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় শিল্প ও সংস্কৃতির গুরুত্ব বিষয়ে এক বছর মেয়াদী শর্ট কোর্স এবং মাস্টার্স ডিগ্রীর জন্য স্কলারশিপ চালু করার পরিকল্পনা করছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে শিক্ষার্থীরা এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন। সম্প্রতি একই বিষয়ে সম্পন্ন ফেলোশিপ প্রোগামের ফলোআপ কর্মসূচীতে এ ঘোষণা দেন বাংলাদেশে অস্ট্রেলিয়া হাইকমিশনের ডেভেলপমেন্ট কোঅপরেশন বিভাগের প্রোগ্রাম ম্যানেজার এম আই নাহিল।
অস্ট্রেলিয়া সরকারের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার ঘোষণা দিতে যেয়ে এম আই নাহিল ‘অস্ট্রেলিয়া এওয়ার্ডস ফেলোশিপে’র ভূয়শী প্রসংশা করেন। সন্ত্রাসবাস মোকাবেলায় বাংলাদেশের আইন-শৃংখলায় বাহিনীকে অস্ট্রেলিয়া সরকার বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করছে বলেও জানান তিনি।
সকালে রাজধানীর গ্রিন হেরাল্ড স্কুলে ‘অস্ট্রেলিয়া এওয়ার্ডস ফেলোশিপে’র ফলোআপ কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়। সেখানে বক্তৃতা করেন ফেলোশিপ কর্মসূচীর সমন্বয়কারী ডেকিন বিজনেস স্কুলের সিনিয়র লেকচারার ড. ফারাহ আজমত এবং গ্রিন হেরাল্ড স্কুলের প্রিন্সিপ্যাল সিস্টার আশা। ফেলোশিপে অংশগ্রহণকারী সদস্যরা।
অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন ফেলোশিপে অংশগ্রহণকারী গ্রিন হেরাল্ড স্কুলের শিক্ষিকা সারওয়াত জুনাইদ, রাহাত নিলুফার, নর্থসাউথ ইউনিভারসিটির অর্থনীতি বিভাগের সিনিয়র লেকচারার পারিসা শাকুর এবং চ্যানেল আই অনলাইনের ইনপুট এডিটর ফাহমিদা আখতার।
অস্ট্রেলিয়ার ফরেন ট্রেড ডিপার্টমেন্টের সহযোগিতায় গত অক্টোবরে প্রথমবারের মতো ১৩ জন বাংলাদেশীর অংশগ্রহণে ফেলোশিপ প্রোগ্রামটি আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং বিভাগের ৮ জন কর্মকর্তা এবং বেসরকারি বিভিন্ন খাতের ৫ জন ৯ থেকে ২০ অক্টোবর ফেলোশিপে অংশ নেন।
দুই সপ্তাহের কর্মসূচিটি পরিচালনা করে ডেকিন ইউনিভার্সিটির বিজনেস ডিপার্টমেন্ট। ফেলোশিপের অংশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন এবং সিডনির বিভিন্ন স্থানে ইনডোর এবং আউটডোরে পাঠদানসহ বিভিন্ন কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়।

অস্ট্রেলিয়ায় বাসবাসকারী বিভিন্ন ভাষাভাষী এবং বিভিন্ন দেশ থেকে আসা অভিবাসী কমিউনিটিগুলোর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনে সরকারি এবং বেসরকারিভাবে শিল্প ও সংস্কৃতিকে কীভাবে কাজে লাগানো হচ্ছে তা অংশগ্রহণকারীদের দেখানো হয় সরেজমিন।
অস্ট্রেলিয়ার কমিউনিটিগুলোর মধ্যে দূরত্ব কমাতে এবং যুব সমাজের কর্মসংস্থানে সামাজিক সংগঠনগুলো সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতায় নিবিড়ভাবে কাজ করছে। তাদের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশেও সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করে অস্ট্রেলিয়ার ফরেন ট্রেড ডিপার্টমেন্ট।










