জাতীয় লিগের শেষ ম্যাচে রংপুর বিভাগের হয়ে ১৬২ রানের ইনিংসের পর বল হাতে ৩ উইকেট। এক মাস পর লংগার ভার্সন ক্রিকেট বিসিএলে নেমেই আবারও বল হাতে আলো কাড়লেন আরিফুল হক। বিসিবি উত্তরাঞ্চলের পেসার নিয়েছেন ৪ উইকেট। বিপিএলে খুলনা টাইটানসের হয়ে ফিনিশার তকমা পাওয়া এ ক্রিকেটার বল হাতেও প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে দেখাচ্ছেন নৈপুণ্য।
সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে প্রথম রাউন্ডের প্রথমদিনেই অনেকটা এগিয়ে গেছে উত্তরাঞ্চল। মিডিয়াম পেসার আরিফুলের তাণ্ডবে মঙ্গলবার মধ্যাঞ্চল অলআউট হয়েছে ১৮৮ রানে। উত্তরাঞ্চল দিন শেষে উইকেট না হারিয়ে তুলেছে ৯৩ রান। মিজানুর রহমান ৪৯ ও নাজমুল হোসেন শান্ত ৪২ রানে অপরাজিত আছেন।
কুয়াশার কারণে প্রথমদিনের খেলা শুরু হতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। তাতে টস হয়ে ওঠে গুরুত্বপূর্ণ। আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন উত্তরাঞ্চলের অধিনায়ক জহুরুল ইসলাম। তার সিদ্ধান্ত সঠিক প্রমাণ করতে সময় নেননি শফিউল ইসলাম। দলীয় ১১ রানের মাথায় রনি তালুকদারকে (৬) ফেরান এ পেসার।
অপরপ্রান্ত থেকে বলে ঝড় তোলেন আরিফুল। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট ফেলতে থাকেন। ৪৫ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বসে দলটি। যার মধ্যে আরিফুলই নেন চার উইকেট। পরে অবশ্য আর উইকেট পাননি আরিফুল। শুভাশিষ রায়, ফরহাদ রেজা ও শফিউল মিলে মধ্যাঞ্চলের শেষের পাঁচ উইকেট ভাগাভাগি করে নেন।
দলটির পক্ষে সর্বোচ্চ রান করেন ইরফান শুক্কুর। ৯ নম্বরে নেমে খেলেন ৫৭ রানের অপরাজিত ইনিংস। ৫৫ বলে ৭টি চার ও দুটি ছক্কায় সাজান ইনিংসটি। জাতীয় দল থেকে বাদ পড়া তাসকিন আহমেদ করেন ৩৪ রান। এ বাঁহাতির ইনিংসে ছিল ৬টি চারের মার। দুজন মিলে শেষ উইকেট জুটিতে যোগ করেন ৬৬ রান।








