চতুর্থ দিনে বোলিংয়ে বাংলাদেশকে সাফল্য পেতে শুরুতে অনেকটা সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে। পাকিস্তানের প্রতিরোধ ভাঙার পর মিলেছে একের পর এক সাফল্য। নাহিদ রানার দ্বিতীয় শিকার হয়ে সাজঘরে ফিরে যান তারকা বাবর আজম। টাইগার পেসার তোপ দাগাতে থাকেন, খানিক পর সৌদ শাকিলকে ফেরান।
প্রথম সেশনে ৪ উইকেট তুলে নিলেও পাকিস্তান ১০৮ রান করে ফেলায় অস্বস্তিতে বাংলাদেশ। আগেরদিনের ২ উইকেটে ৯ রানে চতুর্থ দিন শুরু করা স্বাগতিকদের সংগ্রহ মধ্যাহ্ন বিরতি পর্যন্ত ৬ উইকেটে ১১৭ রান। প্রথম ইনিংসে পাওয়া ১২ রানসহ তাদের লিড পৌঁছে গেছে ১২৯ রানে। লাঞ্চ বিরতি পর্যন্ত ম্যাচের যে অবস্থা, রাওয়ালপিন্ডিতে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে সুযোগ আছে দুদলেরই।
দ্বিতীয় ইনিংসে কত রানের লক্ষ্য পেলে বাংলাদেশ তাড়া করতে পারবে? সেটি বড় প্রশ্ন। প্রথম ইনিংসে ২৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে যে দুর্দশায় পড়েছিল দল, তাতে লক্ষ্যটা দুইশর মধ্যে রাখতে পারলেই ভালো।
এদিন বাবর ১১ রান করে ক্যাচ দেন সাদমান ইসলামের হাতে। দ্বিতীয় ইনিংসে ৬৫ রানের সময় পঞ্চম ও ৮১ রানের সময় ষষ্ঠ উইকেট হারায় স্বাগতিক দল। রিজওয়ান ও সালমান জুটি গড়ে একশ পার করে নিয়ে গেছেন দলকে। ৪ উইকেট হাতে রেখে একশ পেরিয়েছে লিডও।
সকালে রাওয়ালপিন্ডির ২২ গজে থিতু হয়ে যাওয়া ওপেনার সাইম আইয়ুবকে ফিরিয়ে প্রথম সাফল্য এনে দেন তাসকিন আহমেদ। দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৭ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় পাকিস্তান। সেটির পরপরই শান মাসুদকে ফেরান নাহিদ রানা। দলীয় ফিফটি পেরোতেই আঘাত হানেন নাহিদ। শান মাসুদ আউট হওয়ার আগে করে যান ২৮ রান।
প্রথম ইনিংসে স্বাগতিকদের ২৭৪ রানের জবাবে লিটন দাসের সেঞ্চুরি ও মেহেদী হাসান মিরাজের ফিফটিতে ২৬২ রান করে বাংলাদেশ। ২৬ রানে ৬ উইকেট হারানো দল আড়াইশ পেরিয়ে বীরত্ব দেখায়।রোববার তৃতীয় দিনের শেষভাগে পরপর দুই ওভারে আব্দুল্লাহ শফিক ও ‘নাইটওয়াচম্যান’ হিসেবে নামা খুররাম শাহজাদকে ফিরিয়ে দেন হাসান মাহমুদ।







