গাইবান্ধা-১ আসনের (সুন্দরগঞ্জ) এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনের দ্বিতীয় নামাযে জানাযা জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে অনুষ্ঠিত জানাযায় সংসদ সদস্যরা ছাড়াও অংশ নেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।
এর আগে সকাল পৌনে ১০টার দিকে এমপি লিটনের মরদেহ সংসদ ভবন চত্বরে নেয়া হয়। সেখানে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আবদুল হামিদের পক্ষ থেকে তার সামরিক সচিব, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী নিহত এমপির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
রোববার সন্ধ্যায় লিটনের মরদেহ ঢাকায় আনা হয়। রাতে বারডেম হিমঘরে রাখা হয় এমপির মরদেহ।
সংসদ সদস্যদের নিরাপত্তা বাড়ানোর কথা বলেছেন ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া। জানাজা শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে সব সংসদ সদস্যদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার কথা জানানো হয়েছে। তিনি নিশ্চয়ই আমাদের সঙ্গে এক মত হয়ে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবেন।

শনিবার সন্ধ্যায় সুন্দরগঞ্জের বামনডাঙ্গার নিজ বাড়িতে দুর্বৃত্তরা মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আহত অবস্থায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হলে সাড়ে সাতটার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তবে কে বা কারা এই গুলি চালিয়েছে তা এখনো জানতে পারেনি পুলিশ।
এর আগে শিশু শাহাদাত হোসেন সৌরভকে গুলি করার ঘটনায় সমালোচিত হন এমপি লিটন। ২০১৫ সালের ২ অক্টোবর তার ছোড়া গুলিতে শাহাদাত হোসেন সৌরভ নামে নয় বছর বয়সী ওই শিশু আহত হয়। দুই পায়ে তিনটি গুলির ক্ষত নিয়ে দীর্ঘদিন তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়।
শিশুটির বাবা সাজু মিয়া ঘটনার পরদিনই সাংসদ লিটনকে আসামী করে সুন্দরগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছিলেন। ওই মামলায় তিনি জামিনে ছিলেন।






