অস্ট্রেলিয়াকে তাদেরই মাটিতে ওয়ানডে ও টেস্ট সিরিজে হারানোর স্মৃতি বিরাট কোহলিদের মনে ছিল টাটকা স্মৃতি। এমনই অবস্থায় সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে আবার মুখোমুখি হয় দুই দল। এবার লড়াইটা ভারতের মাটিতে। প্রথমেই দুই ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজ। লড়াইয়ের শুরুটা জয় দিয়েই করল অস্ট্রেলিয়া।
বিশাখাপত্নমে রোববার জিতে এগিয়ে গেল অজিরা। বল হাতে প্রথমে কোল্টার-নাইল এবং পরে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের ব্যাটে ভর করে স্বাগতিকদের ৩ উইকেটে হারিয়েছে সফরকারীরা। যদিও লো-স্কোরিং ম্যাচ শেষ পর্যন্ত শেষ বলের নাটক পর্যন্ত গড়ায়।
বর্তমান ফর্ম ও হোম কন্ডিশন বিবেচনায় এ সিরিজে ফেভারিট ছিল ভারতই। তার ওপর স্বাগতিকদের দলটিও পূর্ণশক্তির। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টুয়েন্টি সিরিজটা খেলেননি অধিনায়ক বিরাট কোহলি। ওই সিরিজে ছিলেন না পেস বোলার জসপ্রিত বুমরাহও। এ দুই তারকা ফেরায় ভারতীয় দল পুরো শক্তিশালী। কিন্তু তাতে শেষ রক্ষা হয়নি।
ভালো শুরু পরও অস্ট্রেলিয়ার বোলাদের সামনে শেষ পর্যন্ত নার্ভ ধরে রাখতে পারেননি ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা। ফলে ১২৭ রানের বেশি টার্গেটও দিতে পারেনি তারা।
তুলনামূলক সহজ টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে ধাক্কা খেলেছিল অস্ট্রেলিয়াও। ৫ রানেই দুই উইকেট হারিয়েছিল তারা। প্রথম এক রান করে রানআউট হন মার্কাস স্টোইনস। তারপরই শূন্য রানে ফেরেন অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ।
তবে ক্রিজে নেমেই পাল্টা আঘাত করেন ম্যাক্সওয়েল। অ্যালেক্স ক্যারেকে সঙ্গে নিয়ে দলকে দলকে সহজ জয়ের দিকে নিয়ে যান এই মারকুটে ব্যাটসম্যান। ৪০ বলে হাফসেঞ্চুরি তুলে নেয়ার পর ৪৩ বলে ৫৬ রান করেন। ম্যাক্সওয়েল আউট হতেই আবার ধাক্কা। ২ উইকেটে ৮২ রান থেকে তিন অঙ্ক ছুঁতেই ফেরেন আরও চার ব্যাটসম্যান।
শেষ ওভারে অজিদের দরকার হয় ১৪ রানের। কষ্ট হলেও বাকি কাজটা শেষ করেন প্যাট কামিন্স ও জাই রিচার্ডসন। দুজনেই অপরাজিত থাকেন সমান ৭ রান করে।
ভারতের হয়ে তিন উইকেট নেন বুমরাহ।
এর আগে ব্যাট করতে নেমে ভারতের হয়ে প্রায় একা লড়াই চালান লোকেশ রাহুল। ফর্মের খোঁজে রাহুলই দলের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন। ফর্মে ফিরে দুর্দান্ত এক হাফসেঞ্চুরি করেন তিনি।
বাহুল ছাড়া বাকি ব্যাটসম্যানরা বিশেষ নজর কাড়তে না পারায় দেড়শো রানের গণ্ডি টপকাতেও ব্যর্থ হয় ভারতীয় দল। অন্যদের মধ্যে অধিনায়ক বিরাট কোহলি ও মহেন্দ্র ধোনি ছাড়া দু’অঙ্কের রানে পৌঁছাতে পারেননি কোনো ভারতীয় ব্যাটসম্যানই। ফলে বড় রানের ইঙ্গিত দিয়েও নির্ধারিত ২০ ওভারে ভারতকে থেমে যেতে হয় ৭ উইকেটে ১২৬ রানে।
তিন উইকেট নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সেরা বোলার নাথান কোল্টার-নাইল।








