টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে টিকে থাকার লড়াইয়ে বাংলাদেশকে ১৪৩ রানের লক্ষ্য দিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শারজার উইকেট মোটেও ব্যাটিং সহায়ক ছিল না। বাংলাদেশের বোলাররাও ১৪ ওভার পর্যন্ত ক্যারিবিয়ানদের লাগাম টেনে রেখেছিলেন। কিন্তু শেষটায় পারেনি।
বিশ্বকাপের মঞ্চে ১৪৩ রানের লক্ষ্য সহজ মনে হতে পারে। কিন্তু লো বাউন্স উইকেটে রান পেতে সংগ্রাম করতে হয়েছে ক্যারিবীয়দের। ১৪ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ছিল ৪ উইকেটে ৭০ রান। শেষ ৬ ওভারে তারা যেটির দ্বিগুণ রান তুলেছে তারা।
১৪ ওভারে দলটির সংগ্রহ ছিল ৭০ রান। পরের দুই ওভারেই ক্যারিবিয়ানরা তোলে ২৯ রান। মোস্তাফিজ ১৪ রান খরচ করার পর সাকিব নিজের শেষ ওভারে দেন ১৫। দুটি ছক্কা হজম করেন বাঁহাতি স্পিনার।
স্লগে শুধু শরিফুল ইসলামকে বেশি মারতে পারেননি উইন্ডিজ ব্যাটাররা। এ বাঁহাতি ১৯তম ওভারে নেন দুটি উইকেট। পুরান ও চেজকে ফেরান। ওই ওভারে আরও একটি উইকেট পেতে পারতেন শরিফুল। জ্যাসন হোল্ডারের সহজ ক্যাচ ছাড়েন আফিফ হেসেন।
টস জিতে আগে বোলিং করতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা হয়েছিল অসাধারণ। দুই ওপেনার এভিন লুইস ও ক্রিস গেইল ফিরে যান শুরুতেই। ইনিংসের তৃতীয় ওভারের শেষ বলে লুইসকে আউট করে ব্রেক থ্রু এনে দেন মোস্তাফিজ। ৯ বলে ৬ রান করা ওপেনার ক্যাচ দেন মুশফিকুর রহিমের হাতে।
পঞ্চম ওভারে মেহেদী বোল্ড করেন গেইলকে। মারকুটে বাঁহাতি ওপেনার আজও ছিলেন নিষ্প্রভ। ১০ বলে ৪ রান করে হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়েন। পরে ফিরে যান শিমরন হেটমায়ারও। আন্দ্রে রাসেল বল খেলার আগেই হন রান আউট। কাইরেন পোলার্ড স্বেচ্ছা অবসরে যান।
উইন্ডিজের ইনিংস মূলত দাঁড়িয়ে যায় রোস্টন চেজ ও নিকোলাস পুরানের ব্যাটে। ২৫ রানে মেহেদীর ক্যাচ মিসে জীবন পাওয়া চেজ ৩৯ রান করে আউট হন। পুরান ২২ বলে ৪০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে মাঠ ছাড়েন। পঞ্চম উইকেটে ৫৭ রানের জুটি গড়ে ইনিংস মেরামত করেন।
হোল্ডার ৫ বলে ১৫ রানে অপরাজিত থাকেন। শেষে পোলার্ড ক্রিজে ফিরে ১৪ রানে অপরাজিত থেকে ইনিংস শেষ করেন।
শরিফুল, মোস্তাফিজ ও মেহেদী দুটি করে উইকেট নেন। ৪ ওভারে ২৮ রান দিয়ে সাকিব কোনো উইকেট পাননি।







