সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের উদ্দেশ্যে নিহত জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া নির্মাতা ও চিত্রগ্রাহক খালিদ মাহমুদ মিঠুর সর্বশেষ নামাজে জানাযা চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে। মরদেহ সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও চারুকলা ইনস্টিটিউটে জনসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদন এবং এফডিসিতে জানাযা হয়।
সাধারণ মানুষের পাশাপাশি শিল্পী-সাহিত্যিক, নাট্যব্যক্তিত্ব, শিক্ষক ও বন্ধু-সতীর্থসহ প্রখ্যাত ব্যক্তিরা শহীদ মিনারে এ বিখ্যাত নির্মাতাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে যান। যান ড. ইনামূল হক, খুশি কবীর, কাজী রওনক হোসেন, কে এস ফিরোজসহ আরো অনেকে।
তারা বলছেন, খালিদ মাহমুদের অকাল মৃত্যুতে এই বহুমাত্রিক শিল্পী, নির্মাতা, চিত্রগ্রাহক এবং ফটোগ্রাফারকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। সবাই তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
খালিদ মাহমুদ মিঠুর মেয়ে শিরোপা পূর্ণা তার বাবার জন্য সবার কাছে দোয়া চান। খালিদ মাহমুদকে তার কাজের জন্য চিরকাল মনে রাখতে এবং তার অসমাপ্ত কাজগুলোকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
খালিদ মাহমুদের শিক্ষাপ্রাঙ্গণ চারুকলা ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে মরদেহ নেয়ার পর সেখানেও নিহত এই প্রখ্যাত নির্মাতাকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন জনগণ। সেখান থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে নামাজে জানাযা শেষে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় এফডিসিতে।
এফডিসিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন পর্ব ও জানাযা শেষে বিকেলে মরদেহ আনা হয় চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে। এখানেই শেষ নামাজে জানাযা হওয়ার পর বাদ আসর বনানী কবরস্থানে খালিদ মাহমুদের দাফন সম্পন্ন হবে।
সোমবার দুপুরে রিকশা করে বাসায় ফেরার পথে ধানমন্ডি ৪ নম্বর রোডের পাশের একটি গাছ আকস্মিক ভেঙ্গে পড়ে মারা যান খালেদ মাহমুদ মিঠু।







