সৌদি আরব পালিয়ে যাওয়া রাজন হত্যা মামলার অন্যতম আসামী কামরুলকে জেদ্দায় আটক করা হয়েছে। রিয়াদে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসিহ সাংবাদিকদের বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশীরা তাকে আটক করে সৌদি পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন সৌদি আরব সফরে থাকা পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার অালম। কামরুলকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার কথা বলেছেন প্রতিমন্ত্রী।
দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, জেদ্দার হাই আল রবি বিন লাদেন এলাকা থেকে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাতটায় তাকে আটক করা হয়।
জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল আজিজুর রহমানের নেতৃত্বে একটি দল তাকে আটক করে। তার আটকের সংবাদে জেদ্দা কনস্যুলেটে ক্ষুব্ধ প্রবাসীরা সমবেত হয়ে কামরুলের ফাঁসির দাবী জানায়।
এর আগে পুলিশ জানিয়েছিলো, শিশু রাজন হত্যায় অভিযুক্ত কামরুল সৌদি আরবে পালিয়ে গেছে। ঘটনার ভিডিওচিত্র দেখে কামরুলের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত হওয়ার পর পুলিশ তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলো।
পুলিশ জনিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের খবর জানাজানি হওয়ার আগেই কামরুল সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে পালিয়ে যায়।
‘কামরুল সৌদি আরবেই থাকে। সম্ভবতঃ ঈদের জন্য সে দেশে এসেছিলো। কিন্তু তার সৌদি ভিসা ছিলো। ইমিগ্রেশন পুলিশ খুনের বিষয়টি জানার আগেই সে দেশ ছেড়ে যায়, তাই তাকে আটক করা যায় নি,’ বলে মন্তব্য করেন এক পুলিশ কর্মকর্তা।
রাজন নামে ১৩ বছরের শিশুটিকে মঙ্গলবার পিটিয়ে হত্যার ভিডিও চিত্রে দেখা দেখা যায়, শিশুটি বাঁধা অবস্থায় পানি চাইলে তাকে ঘাম খেতে বলা হয়। নিহত শিশু শেখ সামিউল আলম রাজন সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের বাদেআলী গ্রামের মাইক্রোবাস চালক শেখ আজিজুর রহমানের ছেলে। সিলেটের কুমারগাঁও উপজেলার বাস স্টেশন এলাকার সুন্দর আলি মার্কেটের সামনে নির্মম হত্যার ঘটনাটি ঘটে।







