রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর স্বাভাবিক পর্যায়ে নেমে আসায় কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের (কপাবিকে) স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কপাবিকের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান।
তিনি জানান, টানা ১০৭ ঘণ্টা ৪০ মিনিট খোলা রাখার পর গতকাল বুধবার রাত ১১টায় স্পিলওয়ের সব জলকপাট বন্ধ করে দেওয়া হয়।
মাহমুদ হাসান বলেন, গত চার দিন ধরে স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাট দিয়ে পানি নিষ্কাশনের ফলে কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা কমে এসেছে। ফলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় জলকপাটগুলো বন্ধ করা হয়েছে। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বুধবার রাত ১১টায় কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা ছিল ১০৩ দশমিক ২৬ ফুট মিন সি লেভেল (এমএসএল)। একই সময়ে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাঁচটি উৎপাদন ইউনিট থেকে গড়ে ২২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছিল।
এর আগে গত শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল ১১টা ২০ মিনিটে কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা ১০৪ দশমিক ০৮ ফুট মিন সি লেভেলে পৌঁছে বিপৎসীমার কাছাকাছি চলে যাওয়ায় স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাট ৬ ইঞ্চি করে খুলে দেওয়া হয়। এর ফলে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি কাপ্তাই হ্রদ থেকে কর্ণফুলী নদীতে প্রবাহিত হচ্ছিল। কপাবিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দীর্ঘ সময় পানি নিষ্কাশনের ফলে হ্রদের পানির স্তর নিরাপদ পর্যায়ে নেমে আসায় সব জলকপাট বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।







