উগান্ডায় কৃষি ও পুষ্টি উন্নয়ন তৎপরতায় সবচেয়ে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে শিশু পুষ্টির বিষয়টি। পরিবর্তন আনা হয়েছে শিশুখাদ্যে। দাতা সংস্থা ও উন্নয়ন সংগঠনগুলোর পরামর্শ ও সহায়তা কাজে লাগিয়ে শিশুদের পুষ্টি উন্নয়নে পাচ্ছেন ভালো ফল।
পূর্ব আফ্রিকার উগান্ডায় খাদ্য মানে কোনো রকমের উদরপূর্তি। পুষ্টি নিয়ে চিন্তা নেই তেমন। পৃথিবীতে যখন ২০০ কোটি মানুষের অদৃশ্য ক্ষুধার হিসেব কষা হচ্ছে, উগান্ডার মানুষ প্রতিনিধিত্ব করে তার বড় অংশের।
পুষ্টিতে শিশুরাও ছিলো পিছিয়ে হঠাৎই যেনো চোখ খুলে গেছে মানুষের। কমলার শাস যুক্ত মিষ্টি আলু হাতে পেয়ে। কৃষক মেয়েরাই উদ্ভাবন করেছেন দুধের সঙ্গে আয়রন বিন এবং মিষ্টি আলুর গুড়ো মিশিয়ে দারুণ পুষ্টিকর শিশু খাদ্যের।
তারপর এই খাদ্য ব্যবহারে শিশু সাস্থ্য উন্নয়নের রেকর্ডও রাখা হয়ে গ্রাম্য সমাবেশে। একজন উন্নয়ন কর্মী বলেন, দেখুন এই শিশুটির প্রথম মাসে ওজন ছিলো ৯.৭ কেজি। ঠিক একমাস পর তার ওজন ৯.৭ কেজি থেকে পৌঁছে গেছে ১০.৫ কেজিতে।
কিন্তু পরের মাসে অপ্রত্যাশিত ভাবে ওজন কমে যায়। কারণ হিসেবে তারা বলেন, শিশুটির মা অসুস্থ ছিলো। ঠিক মতো তার যত্ন নিতে না পারায় তার ধারাবাহিক উন্নতি ব্যাহত হয় এবং ওজন কমে যায়।
ব্র্যাক-উগান্ড কৃষি ও পুষ্টি প্রকল্পের মাধ্যমে এসেছে এ সাফল্য। যা ছড়িয়ে গেছে সে দেশে পিছিয়ে থাকা বহু এলাকায়।
হেলথ ব্র্যাক উগান্ডার ব্যবস্থাপক শারমিন শরিফ বলেন, ‘আমরা কি করতে পারি যাতে আমাদের বাচ্চারা ভালো থাকে। অবশ্যই নিউট্রিশন যেটা কি খাওয়াতে হবে, তারপর কিভাবে খাওয়াতে হবে। এই বিষয়গুলো এখানে দেখানো হয়।
ব্র্যাক উগান্ডার প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো: হান্নান আলী বলেন, এইভাবে চারটা ডিস্ট্রিকে আমরা হেলথের আঙ্গিকে করি। তবে আমাদের প্রধান ফোকাস কৃষি এরপর অন্য গুলো নিয়ে আমরা ভাবি। পুষ্টি উন্নয়নের এই কার্যক্রমে আশাবাদী বিশ্বব্যাংকও।






