টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের প্রভাব কিছুটা কমে খাগড়াছড়ির কয়েকটি এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও দীঘিনালা উপজেলার মেরুং ইউনিয়নে এখনও পানিবন্দী রয়েছে হাজারো পরিবার। এদিকে, বন্যার কারণে সাজেকে আটকে পড়া ৪২১ পর্যটককে নিরাপদে খাগড়াছড়িতে ফিরিয়ে এনেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাজেক কাউন্টারের ইনচার্জ জানান, শুক্রবার সকাল ৯টায় সাজেক থেকে ছেড়ে আসা পর্যটকবাহী যানবাহনগুলো দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে খাগড়াছড়িতে পৌঁছায়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বাঘাইহাট জোন টানা বৃষ্টিতে সাজেকে আটকে পড়া ৪২১ জন পর্যটককে নিরাপদে খাগড়াছড়িতে ফিরিয়ে এনেছে।
স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চেঙ্গী নদী এবং আশপাশের ছড়া-খালের পানি নেমে যাওয়ায় জেলা সদরের নিচু এলাকার পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। দীঘিনালা উপজেলায়ও বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। মাইনী নদীর পানি কমে যাওয়ায় কবাখালী ও বাবুছড়া এলাকার নিচু জনপদ, বসতঘর এবং সড়ক থেকে পানি নেমে গেছে। এতে ওই এলাকায় যান চলাচলও স্বাভাবিক হয়েছে।
টানা বৃষ্টির পর খাগড়াছড়িতে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও দীঘিনালা উপজেলার মেরুং ইউনিয়নে এখনো কয়েক হাজার পরিবার পানিবন্দী রয়েছে। তবে চেঙ্গী নদী ও বিভিন্ন ছড়া-খালের পানি কমতে শুরু করায় জেলা সদরসহ কয়েকটি এলাকায় জলাবদ্ধতা অনেকটাই কমেছে। তবে মেরুং ইউনিয়নের পরিস্থিতি এখনো উদ্বেগজনক। সেখানে কয়েক হাজার পরিবার পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছে। অনেক সড়ক ও বসতঘর এখনো পানির নিচে থাকায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।
এদিকে কয়েক ঘণ্টার বিরতির পর বৃহস্পতিবার রাত থেকে খাগড়াছড়ির বিভিন্ন এলাকায় আবারও থেমে থেমে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এতে নতুন করে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার আশঙ্কায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে।







