শিশুদের শিক্ষা ও বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে ইউটিউবের ব্যবহারের ওপর মা-বাবার নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করেছে ইউটিউব কতৃপক্ষ। সম্প্রতি শিশুদের ব্যবহারের উপযোগী আধেয় নিয়ে ‘ইউটিউব কিডস’ নামের নতুন একটি অ্যাপ বাজারে এনেছিল প্রতিষ্ঠানটি।
কিন্তু ওই অ্যাপে শিশুদের উপযোগী আধেয় ছাড়াও ভুল বশত প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য উপযোগী কিছু ভিডিও প্লেলিস্টে চলে আসে। যা শিশুদের মেধা বিকাশের জন্য একদম উপযোগী নয়। তাই শিশুদের ইউটিউব ব্যবহারে মা-বাবার সচেতনতা এবং নিয়ন্ত্রণ জোরদার করার জন্য ইউটিউব কতৃপক্ষ ব্যবস্থা নিয়েছেন।
বুধবার ইউটিউব কতৃপক্ষ তাদের সেটিংসে বেশ কিছু নতুন পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। তারা ‘ইউটিউব কিডস’ অ্যাপটির সাথেই একটা ‘ট্রাস্টেট কালেকশন’ নামে নতুন একটি অপশন চালু করেছেন।
যাতে কোন শিশু ইউটিউবে কার্টুন, ছড়া, বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা এবং খেলনার ভিডিও দেখার আগে অপশনটি চালু করলে অনুপযোগী কোন ভিডিও প্লেলিস্টে না আসে।
তবে ইউটিউব কতৃপক্ষ বলছে, ‘ইউটিউব কিডস’ অ্যাপে অভিভাবকরা যাতে শিশুদের ইউটিউব ব্যবহারের বিষয়টি চোখেচোখে রাখতে পারেন এমন নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থাও রাখা হয়েছিল। এছাড়া অভিভাবকরা চাইলে নির্দিষ্ট সময় পর অ্যাপসটি ‘অকার্যকর’ করে দিতে পারবেন।
ইউনিসেফ বলছে, বিশ্বজুড়ে রোজ এক লাখ ৭৫ হাজার শিশু নতুন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে। এর অর্থ হচ্ছে, প্রতি ৩০ সেকেন্ডে একজন শিশু প্রথমবারের মতো ইন্টারনেট জগতে প্রবেশ করছে।
অনলাইনের ক্ষতিকারক বিষয়বস্তুর হাত থেকে শিশুদের রক্ষা করা দায়িত্ব সকলের। এক্ষেত্রে সরকার, পরিবার এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে আসতে হবে। এ ছাড়া প্রযুক্তি শিল্পের ব্যবসার সাথে যারা জড়িত তাদেরও এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করছে সংস্থাটি।










