আসন্ন ঈদে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাট দিয়ে দক্ষিণ ও দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের বাড়ি ফেরা নির্বিঘ্ন করতে নানা ব্যবস্থা নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। ২৩টি ছোটবড় ফেরির পাশাপাশি ২৮৬টি সি বোট এবং ৮৬টি লঞ্চ যাত্রী পারাপার করবে দিনের বেলায়।
আর রাতের বেলায় শুধু ফেরিতে পার হতে পারবেন যাত্রীরা। রাতে লঞ্চ এবং সি বোট চলাচল বন্ধের পাশাপাশি থাকবে বাড়তি ফেরির ব্যবস্থা।
রাজধানীর গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট থেকে মুন্সিগঞ্জের সাবেক মাওয়া বর্তমান শিমুলিয়া ফেরিঘাটের দূরত্ব প্রায় ৪০ কিলোমিটার। দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের চলাচলের এ রাস্তায় যানজট নিয়মিত ঘটনা।
বুড়িগঙ্গার বাবুবাজার ব্রিজ পার হয়ে কদমতলী গোলচত্বর পার হতে পারলেই নির্বিঘ্নে শিমুলিয়া ঘাটে পৌঁছানো যায়। বাড়ি ফেরা মানুষদের দীর্ঘ ১৩ কিলোমিটার পদ্মা পার করাতে এবার বিশেষ ব্যবস্থা থাকছে শিমুলিয়া ঘাটের বিশাল এলাকাজুড়ে। পরিবহন এবং ব্যক্তিগত গাড়ি পার্কিংয়ে আগে থেকেই আলাদা ইয়ার্ড তৈরি রাখা হয়েছে।
মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো: সামসুজ্জামান বলেন, নিবন্ধন বিহীন স্পিড বোট, লঞ্চ, এগুলো চলবে না, যাত্রীরা যাতে দুর্ঘটনার শিকার না হয় সেজন্যে এই বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
ঈদের আগে পরে তিন দিন নিত্যপণ্য পরিবহনের নামে যাতে অন্য পণ্য পরিবহন পার না হয় সে জন্য ট্রাকগুলোর ওপর পুলিশের বিশেষ নজর থাকবে।







