শিক্ষার্থী আন্দোলন আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে না বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা। তিনি বলেন, দেশে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় আছে।
আগামী অক্টোবরেই নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করা হবে বলে নিশ্চিত করেন তিনি।
প্রতিবন্ধীরা জাতীয় নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারে, সে বিষয়ে আয়োজিত এক কর্মশালায় অংশগ্রহণ শেষে তিনি এ কথা বলেন।
তিন সিটি নির্বাচন এবং আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতিসহ সব বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান সিইসি।
তিনি বলেন, সম্প্রতি যে শিক্ষার্থী আন্দোলন হয়েছে তার সঙ্গে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই। এই আন্দোলন কখনোই নির্বাচনকে প্রভাবিত করবে না। আইন অনুযায়ী অক্টোবরেই তফসিল ঘোষণা হবে জানিয়ে সিইসি বলেন, ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে জানুয়ারির শুরু – যে কোনো সময়, যে কোনো দিন নির্বাচন হবে।
যে কোনো নির্বাচনে অনিয়ম বা অপ্রীতিকর ঘটনা বন্ধ করাটা সম্ভব নয় বলেও উল্লেখ করেন নুরুল হুদা। তবে বাকি নির্বাচনগুলোতে যেন যতটা সম্ভব অনিয়ম-বিশৃঙ্খলা দূর করা যায় সেজন্য চেষ্টা করা হবে বলে জানান তিনি। এসব অনিয়ম কমে আসবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন।
আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা, ভোটকেন্দ্র, ডিলিমিটেশনসহ অনেক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন সিইসি। এখন শুধু তফসিল ঘোষণা বাকি।
পৃথিবীতে প্রত্যেকটি মানুষই প্রতিবন্ধী
আয়োজিত ওয়ার্কশপে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেছেন, পৃথিবীতে প্রত্যেকটি মানুষই প্রতিবন্ধী। সব মানুষের ভেতরেই কোনো না কোনো প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। যেমন, কেউ বুদ্ধি প্রতিবন্ধী, কেউ আবার লালসার প্রতিবন্ধী।
তাই মূলধারায় সাধারণ মানুষের সাথে প্রতিবন্ধীদের যেন বৈষম্য না করা হয় সেদিকে সংশ্লিষ্টদের সজাগ থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। প্রতিবন্ধীরা ভোট দিলে তাদের যেন মূলধারার অন্যান্যদের থেকে আলাদা করা না হয় সে বিষয়েও তিনি নির্দেশনা দেন কর্মশালায়।
অন্যান্য সাধারণ মানুষের মতো প্রতিবন্ধীরাও যেন জাতীয় নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারে, সব প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে উঠে জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ যে কোনো নির্বাচনে তারা যেন নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে, সে রকম সুব্যবস্থা করে রাখতে রিটার্নিং অফিসারদের নানারকম নির্দেশনা দেন সিইসি।
সোমা ইসলামের রিপোর্ট:







