আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন: কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে রাজনৈতিক ফায়দা লুটার চেষ্টা করছে কতিপয় রাজনৈতিক নেতা। তাদের (অনুপ্রবেশকারীদের) গতিবিধি লক্ষ্য রাখছে গোয়েন্দাবাহিনী।
কাদের বলেন: ‘মালিক, চালক, হেলপার বিচারের মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরিস্থিতিতে সরকার তার জরুরি কাজটি করে ফেলেছে। দুই পরিবারকে ডেকে সান্ত্বনা দিয়েছে, সহায়তা করেছে। দুই পরিবারের দায়িত্ব খোদ প্রধানমন্ত্রী নিয়েছেন। ওই দুই পরিবারও শিক্ষার্থীদের ঘরে ফেরার আহ্বান জানিয়েছে।’
তিনি বলেন: শিক্ষার্থীদের ৯টি দাবি আমলে নিয়ে সরকার বাস্তবায়ন শুরু করেছে। এর মধ্যে দুর্ঘটনা কবলিত এলাকায় আন্ডারপাস করার কাজও করা হচ্ছে, এটি সেনাবাহিনী করছে। স্পিড ব্রেকারের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সারাদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে রাম্বলস্ট্রিটও করা হবে। ফিটনেসবিহীন সব গাড়ির রুট পারমিট বাতিল করা হবে, ইতোমধ্যে কাজও শুরু করেছে বিআরটিএ।
‘কেউ দলীয়ভাবে এ আন্দোলন সমর্থন দিয়েছেন, এটাকে সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ দিতে চেয়েছেন। আমাদের উদ্বেগ হলো, তাদের শান্তিপূর্ণ ইনোসেন্ট আন্দোলনে রাজনৈতিক অনুপ্রবেশ ঘটেছে।’
যারা শিক্ষার্থীদের ঘরে ফিরতে বলেছেন তাদের শুভবোধকে স্বাগত জানিয়েছেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, তবে যারা কোমলমতিদের আন্দোলনে ঢুকে রাজনীতির বিষবাষ্প ছড়িয়ে দিতে চেয়েছে, এর মাধ্যমে নিজেদের রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চায়, এদের বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সতর্ক থাকতে হবে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, অনুপ্রবেশকারীদের গতিবিধি লক্ষ্য রাখছে গোয়েন্দাবাহিনী। তবে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের দমন না করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে পুলিশ ধৈর্য ধারণ করছে।
শাহজাহান খানের পদত্যাগের দাবির জবাবে তিনি বলেন, ‘বিএনপির মতো নালিশ পার্টির টপ টু বটম নেতারা পদত্যাগ করলে দেশের মানুষ স্বস্তি পাবে।’
পরিবহন ধর্মঘট সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘শঙ্কায় চালকরা নামতে চাইছে না, আমরা নামাতে চেষ্টা করছি।’









