টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে কোনো ম্যাচ খেলতে না পারা শরিফুল ইসলাম নামলেন লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে (এলপিএল)। ক্যান্ডি ফ্যালকনসের হয়ে অভিষেকে খরুচে হলেও দেখা পান একাধিক শিকারের। বিপক্ষ দল কলম্বো স্ট্রাইকার্সের তাসকিন আহমেদ করেছেন দুর্দান্ত বোলিং। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে রান আটকে দলের জয়ে রেখেছেন দারুণ ভূমিকা।
২০০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে জয়ের খুব কাছে পৌঁছে গিয়েছিল ক্যান্ডি। শেষ ওভারে ২০ রানের সমীকরণ শেষ বলে ৩ রানে নামিয়ে আনেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ। কিন্তু থিসারা পেরেরা বলে টাইমিংটা ঠিকঠাক করতে পারেননি। ১ রান নিয়ে গিয়ে রান আউট হন ম্যাথুজ। ১৪ বলে ৩৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে ফেরেন সাজঘরে। তার দল হারে মাত্র ২ রানে।
তাসকিন ৪ ওভারে ৩০ রানে প্রথম উইকেটটি নেন। শুরুতেই বোল্ড করেন দিনেশ চান্দিমালকে। ইনিংসের ১৫তম ওভারে গারুকা সংকেত ২২ রান খরচ করেন। কামিন্দু মেন্ডিস দুটি করে চার-ছয় মারলে দেড়শ পেরিয়ে যায় ক্যান্ডি। জয়ের পথ হয়ে যায় সহজ।
সেখান থেকেই ম্যাচ ঘুরান তাসকিন। ১৬তম ওভারে দেন মাত্র ৬ রান। রানের চাপে পড়ে উইকেট হারাতে থাকা দলটি। মাথিশা পাথিরানা একের পর এক উইকেট তুলে ধস নামান। ২৬ রানে ৪ উইকেট নিয়ে হন ম্যাচসেরা। একপাশ থেকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়লেও থামানো যাচ্ছিল না ম্যাথুসকে।
দারুণ লড়লেও শেষ বলটায় বাউন্ডারি মারতে ব্যর্থ হন। মোহাম্মদ হারিস ৫৬ ও আন্দ্রে ফ্লেচার ৪৭ রান করেন।
আগে ব্যাটিংয়ে নেমে গ্লেন ফিলিপসের ৪৩ বলে ৭০ রানের ইনিংসে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৯৯ রান তোলে কলম্বো। দুশমন্থ চামিরা নেন তিন উইকেট। বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার শরিফুল ৪ ওভারে ৪৩ রান খরচায় দুটি উইকেট নেন।







