সিরিয়ার শরণার্থীদের সহায়তার জন্য প্রতিবেশী দেশগুলোকে আর্থিক সহায়তা দেবে হাঙ্গেরি। তবে নিজেদের সীমান্তে কোনো অভিবাসীকে প্রবেশ করতে দেবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে দেশটি।
আর অভিবাসী বন্টনের ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রস্তাবে রাজি নয় বলে জানিয়েছে হাঙ্গেরি, চেক প্রজাতন্ত্রসহ পূর্ব ইউরোপের কয়েকটি দেশ।
ধারণা করা হচ্ছে অভিবাসীদের প্রতি আবারো কঠোর হতে যাচ্ছে ইউরোপ। সমুদ্রের পাড়ে পরে থাকা আয়লান কুর্দির মৃতদেহের ছবি প্রকাশের পর জার্মানি, যুক্তরাজ্যসহ বেশ কয়েকটি দেশ অভিবাসীদের আশ্রয় দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে।
তবে বিপুল সংখ্যক অভিবাসীদের আশ্রয় দিতে হিমশিম খাচ্ছে ইউরোপীয় দেশগুলো। জার্মানিতে অভিবাসীদের সহায়তার জন্য ৪ হাজার সেনা প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
সবচেয়ে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে হাঙ্গেরি, সার্বিয়া, ডেনমার্কের মতো দেশগুলো। সীমান্তে নজরদারি বাড়াচ্ছে তারা। এরই মধ্যে হাঙ্গেরি জানিয়েছে, এ সপ্তাহ থেকে হাঙ্গেরির সীমান্তে আর কোনো অভিবাসী প্রবেশ করতে পারবে না।
অবশ্য সিরিয়া সংকট সমাধান ও শরণার্থীদের আশ্রয় দিতে তুরস্ক, জর্ডান ও লেবাননকে ৩ বিলিয়ন ইউরো সহায়তা দিবে হাঙ্গেরি।
হাঙ্গেরির শরণার্থী শিবিরগুলোতে থাকা মানুষের সাথে বিরূপ আচরণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। শরণার্থীদের খাবারের ব্যাগ ছুঁড়ে ছুঁড়ে দেওয়া হচ্ছে। অস্ট্রিয়ার এক নারী ত্রাণকর্মী এই চিত্র ভিডিও ক্যামেরায় ধারণ করেন।







