অনেক জল্পনা-কল্পনা শেষে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন ঠাকুরগাঁও-৩ আসন থেকে ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচনে বিজয়ী বিএনপি নেতা জাহিদুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় সংসদ ভবনে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী তার কার্যালয়ে শপথ পাঠ করান।
শপথ শেষে সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান বলেন, আমাদের হাজার হাজার নেতাকর্মী মিথ্যা মামলায় হয়রানির শিকার। আমি সংসদে গিয়ে এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের আহ্বান জানাব। সংসদে দাঁড়িয়ে আমি প্রধানমন্ত্রীর নিকট আহ্বান জানাব এই বলে যে, দেখুন পুলিশ মিথ্যা মামলা দিয়েছে। এই মামলা প্রত্যাহারের ব্যবস্থা করুন। আর আমার অন্যতম আহ্বান হবে, আমার নেত্রী। একজন বয়স্ক মহিলা। যার ৭৩ বছর বয়স তাকে মুক্ত করে দিন। গণতন্ত্রের স্বার্থে তাকে মুক্তির দাবি জানাব। সংসদে গিয়ে এটাই আমার প্রথম অঙ্গীকার।
এদিকে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে যারা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন তাদেরকে গণদুশমন উল্লেখ করে সময়মতো জনগণই তার বিচার করবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে বিএনপির নীতিনির্ধারক ফোরামের এই সদস্য এ মন্তব্য করেন।
গয়েশ্বর বলেন, কে শপথ নিলেন আর কোথায় শপথ নিলেন না সেটা বিষয় না। দেশের জনগণ ভোট দিতে পারেন নাই, এটা তো আমার কথা না, এটা দেশের জনগণের কথা। যারা আওয়ামী লীগ করে তাদের ৫ শতাংশ লোকও কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেন নাই। সুতারাং জনগণ যেখানে ভোট দিতে পারেন না সে ৩০০ আসনে কেউ জিতে নাই, জয় লাভ করে নাই এবং পরাজিতও হয় নাই।
তিনি বলেন, দলের সিদ্ধান্ত ছাড়া নেত্রীকে জেলে রেখে কেউ যদি শপথ নেয়, তাহলে তারা জাতীয়তাবাদী শক্তির পক্ষে থাকতে পারে না, তারা হলো গণদুশমন এবং জনগণই সময়মতো তাদের বিচার করবে এবং সেটার জন্য তাদেরকে অপেক্ষা করতে হবে।
গয়েশ্বর বলেন, আমাদের দলীয় সিদ্ধান্ত আমরা পার্লামেন্টে যাব না। দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করবে সে দলের লোক হবে না। এই সহজ কথাটা আপনারা বুঝে নেন, এতে আমরা ক্লান্ত নই, ভীতও নই। যে চিৎকার করে জনগণ যেদিন থুথু ফেলবে, সেই থুথুতে তারা ভেসে যাবে সেদিন তারা বুঝবে।
বিএনপির নেতা জাহিদুর রহমান ঠাকুরগাঁও-৩ আসন থেকে একাদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচন করেন।










