শক্তির এই জায়গাটা দ্বিতীয় টেস্টের সময় এক টিভি অনুষ্ঠানে স্মরণ করিয়ে দিয়েছিলেন সাবেক প্রধান নির্বাচক ফারুখ আহমেদ। বলছিলেন, ‘আমাদের আসল শক্তি স্পিনে, অথচ পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে পেসারদের নিয়ে।’ সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজও শক্তির সেই জায়গাটা স্মরণ করিয়ে দিলেন। একাদশে সুযোগ পেয়ে একমাত্র তিনিই স্বাগতিক ব্যাটসম্যানদের বিপাকে ফেলতে সক্ষম হয়েছেন। ইতিমধ্যে দুই উইকেট তুলে নিয়েছেন।
প্রথম দশ ওভারে বাংলাদেশি বোলারদের অবস্থা খুব একটা ভালো ছিল না। এই সময়ে ওভার প্রতি প্রায় সাত করে রান সংগ্রহ করে স্বাগতিকরা।
মাশরাফী পাঁচজন বোলারকে ব্যবহার করেন। নিজে চার ওভার করে ২১ রান দেন। মিরাজ এক ওভারে ১২ রান দিয়ে বসে যান। পরে আক্রমণে এসে ভালো করেন। রুবেল দুই ওভারে খরচ করেন ১৩। সাকিব দুই ওভারে ১৬। তাসকিন এক ওভারে ৭।
মিরাজ সাফল্য পান ১৮তম ওভারে। অর্ধশতক থেকে দুই রান দূরে থাকা বাভুমাকে ফেরান। এরপর ২২তম ওভারে ফেরান কুইন্টন ডি কককে (৭৩)। এই প্রতিবেদন লেখার সময় ২৫ ওভার শেষে দুই উইকেট হারিয়ে সাউথ আফ্রিকার সংগ্রহ ১৫০।
সাউথ আফ্রিকা এদিন টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়। ওপেন করতে নামেন টেম্বা বাভুমা এবং কুইন্টন ডি কক।
মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার অধিনায়ক হিসেবে এটি ৫০তম ম্যাচ। একাদশে জায়গা পেয়েছেন ওপেনার সৌম্য সরকার। বাদ পড়েছেন অলরাউন্ডার নাসির হোসেন। তার জায়গায় খেলছেন মেহেদী হাসান মিরাজ।
প্রথম দুই ম্যাচ হেরে যাওয়ায় টেস্টের পর ওয়ানডে সিরিজেও হোয়াইটওয়াশের শঙ্কায় বাংলাদেশ। ইস্ট লন্ডনের এমন ম্যাচে ইনজুরির কারণে নেই দলের সেরা ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল।
মাশরাফী ওয়ানডেতে এ পর্যন্ত বাংলাদেশকে ৪৯টি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে জয় পেয়েছেন ২৭টিতে। যার ১৮টি দেশের মাটিতে। বাকি ৯টি বিদেশে। বিপরীতে ২০ হারের মাত্র পাঁচটি দেশের মাটিতে, ১৫টি বিদেশে। ম্যাশের নেতৃত্ব দেওয়া দুটি ম্যাচে কোনও ফল হয়নি। জয়ের শতকরা হার ৫৫.১।
বাংলাদেশ দলে দুই পরিবর্তন থাকলেও সাউথ আফ্রিকায় পরিবর্তন তিনটি। হাশিম আমলা, জেপি ডুমিনি ও প্রিটোরিয়াসের জায়গায় প্রোটিয়া একাদশে ঢুকেছেন টেম্বা বাভুমা, এইডেন মার্করাম এবং উইয়ান মুল্ডার।










