ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টি-টুয়েন্টিতে এভিন লুইসের সেঞ্চুরির কাছে উড়ে গেছে ভারত। লুইসের অপরাজিত ১২৫ রানের তাণ্ডবের কাছে বিরাট কোহলির দলের হারটি ৯ উইকেটে।
জ্যামাইকার স্যাবিনা পার্কে শুরুতে ব্যাট করে নির্ধারিত ওভারে ৬ উইকেটে ১৯০ রানের বড় সংগ্রহই গড়েছিল ভারত। জবাব দিতে নেমে ৯ বল আর ৯ উইকেট হাতে রেখেই জয়ে নোঙর ফেলে ক্যারিবীয়রা।
এদিন ভারতের শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। ইনফর্ম শেখর ধাওয়ানকে (২৩) নিয়ে নিজেই ওপেনিংয়ে নেমেছিলেন অধিনায়ক কোহলি। দুজনে মাত্র ৩৩ বলে গড়েন ৬৪ রানের জুটি। কোহলি খেলেন ‘ক্যারিয়ার সেরা’ ইনিংস। না, টি-টুয়েন্টিতে ভারত অধিনায়কের সেরা ইনিংস এটি নয়, সেরাটি অপরাজিত ৯০ রানের। এদিন তো খেলেছেন মাত্র ৩৯ রানের ইনিংস। সেটিই অন্যরকম ‘ক্যারিয়ার সেরা’ তার, ওপেনিংয়ে নেমে সেরা।
ছোট ফরম্যাটে এই নিয়ে পঞ্চমবার উদ্বোধন করতে নামলেন কোহলি। সেখানে আগের সেরাটি ছিল ২৯ রানের। চলতি বছরই, কানপুরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। উদ্বোধনীতে বাকি তিন ইনিংস তার ২৮, ২১ ও ২ রানের। এদিন সব টপকে ওপেনিংয়ে সেরাটি খেলে ফেললেন ৭ চার ও ১ ছয়ে ২২ বলে।
সঙ্গে যোগ হল রিশভ পান্টের ৩৮ ও দিনেশ কার্তিকের ৫ চার ৩ ছয়ে ৩৯ বলে ৪৮ রান। শেষদিকে জাদেজা (১৩*) ও অশ্বিনের (১১*) রানে দুইশ ছুঁইছুঁই।
সেটাই সহজে টপকে যাওয়ার রাস্তা করে দিলেন এভিন লুইস। আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে এটি তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। ক্যারিয়ার সেরা, ক্যারিবীয় সেরা ও রান তাড়া করতে যেয়ে রেকর্ড সর্বোচ্চ ইনিংসটি ১২ ছয় ও ৬ চারে সাজানো। ১২৫ রান তুলতে বল খরচ করেছেন ৬২টি।
আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে দুটি করে সেঞ্চুরি আছে আর মাত্র দুজনের। নিউজিল্যান্ডের সাবেক ব্রেন্ডন ম্যাককালাম ও এই ম্যাচেই লুইসের সঙ্গে উদ্বোধন করতে নামা ক্রিস গেইলের। এদিন গেইলের অবদান ১টি করে চার-ছয়ে ২০ বলে ১৮ রান। তবে উদ্বোধনীতে ৮.২ ওভারে ৮২ রানের জুটিসঙ্গী তিনি।
লুইসের সঙ্গে পরে অবিচ্ছিন্ন ১১২ রানের জুটি গড়ার পথে মারলন স্যামুয়েলসের অবদান অপরাজিত ৩৬ রান।
ভারতের সবচেয়ে খরুচে মোহাম্মদ সামি, ৩ ওভারে ৪৬ রানে উইকেটহীন। জাদেজা ৩.৩ ওভারে সেখানে ৪১ রান খরচ করেছেন।







