বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের পঞ্চম রাউন্ডের ম্যাচে বড় সংগ্রহ গড়েছে নর্থ জোন। জবাবে পিছিয়ে নেই ইস্ট জোনও। তাসামুল হক ও লিটন দাসের ব্যাটে বিনা উইকেটে ১১০ রান তুলে দিন শেষ করেছে মুমিনুল হকের দল।
বুধবার শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে সেঞ্চুরি তুলেছেন আগের দিনে নর্থ জোনের দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান জহুরুল ইসলাম অমি ও আরিফুল হক। মধ্যবিরতির পর সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন নর্থ অধিনায়ক জহুরুল। ১১৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন এ ডানহাতি। ২৩৮ বলের ইনিংসে ছিল ১২টি চারের মার।
চা-বিরতির আগে সেঞ্চুরি তুলে নেন আরিফুলও। ১০১ রান করে আবু জায়েদ রাহির বলে সোহাগ গাজীর হাতে ক্যাচ দেন পরে। ২০১ বলের ইনিংসে ছিল সাতটি চার ও একটি ছয়ের মার। এ দুজনের জোড়া শতকে ৪১৫ রানের সংগ্রহ পায় নর্থরা।
ইস্টের সফল বোলার সোহাগ গাজী। চার ব্যাটসম্যানকে সাজঘরের পথ দেখিয়েছেন। দুই উইকেট আছে মোহাম্মদ আশরাফুলেরও।
জবাবে নর্থের বোলারদের খাঁটিয়ে চলেছেন লিটন ও তাসামুল। ওয়ানডে স্টাইলে ব্যাটিং করে ২৭ ওভারেই তুলে ফেলেছেন ১১০ রান। লিটন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১৯তম ফিফটি তুলে অপরাজিত আছেন ৫২ রানে। তার সঙ্গী তাসামুল তৃতীয় দিন শুরু করবেন ফিফটি থেকে এক রান দূরে দাঁড়িয়ে।
রাজশাহীতে বিসিএলের আরেক ম্যাচে সেন্ট্রাল জোনকে ৩০২ রানে আটকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমেছে সাউথ জোন। দ্বিতীয় দিন শেষে দলটির সংগ্রহ এক উইকেট হারিয়ে ৫০ রান। মাহমুদউল্লাহর দলের থেকে এখনো ৬১ রানে পিছিয়ে নুরুল হাসান সোহানের দল।
আট উইকেট হাতে নিয়ে ১৫৪ রানে দিন শুরু করা সেন্ট্রাল জোন খুব বেশিদূর যেতে পারেনি আব্দুর রাজ্জাকের কারণে। ১০৬ রানে ৬ উইকেট নিয়েছেন এ বাঁহাতি স্পিনার। তার বোলিং তোপে সেঞ্চুরি থেকে ৭ রান দূরে থাকতে ফিরে গেছেন সেন্ট্রালের ওপেনার সাদমান ইসলাম। পরে মিডল অর্ডারে ইরফান শুক্কুরের ৫৪ রানের কল্যাণে তিনশো রানের কোটা পেরোয় সেন্ট্রাল।
দ্বিতীয় ইনিংসে শুরুতেই ওপেনার ফজলে মাহমুদকে হারায় সাউথ। পরে আর বিপদে পড়তে হয়নি দলটিকে। ৩১ রানে এনামুল হক ও ১০ রানে অপরাজিত থেকে ইমরুল কায়েস শুরু করবেন তৃতীয় দিন। প্রথম ইনিংসে ১৯১ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল দলটি।








