সানরাইজার্স হায়দরাবাদ থেকে চলতি মৌসুমে গুজরাট টাইটান্সে এসে বোলিং ঝলক দেখিয়ে চলছেন রশিদ খান। শনিবার কলকাতার বিপক্ষে ২২ রানে ২ উইকেট তুলে চতুর্থ বিদেশি হিসেবে আইপিএলে শততম উইকেটের মাইলফলক ছুঁয়েছেন। এমন সময় আফগান লেগি উইকেট শিকারি বোলার নন বলে মন্তব্য করেছেন হায়দরাবাদের ব্যাটিং কোচ ব্রায়ান লারা।
‘রশিদ ছাড়াই আমাদের দল ভালো করছে। তার প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি, সে খুব একটা উইকেট শিকারি ছিল না। প্রতিপক্ষ তাকে ডিফেন্ড করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমাদের দলে যথেষ্ট সমন্বয় আছে। যখন ওয়াশিংটন সুন্দরের মতো বাঁহাতি প্রথম ছয় ওভার হাত ঘোরায়, তখন ওভার প্রতি ৫-৬ রানের বেশি তোলা কঠিন।’
আইপিএলে বিদেশি ক্রিকেটারের মধ্যে সর্বাধিক ১৫৪ ম্যাচে ১৭৯ উইকেটের মালিক উইন্ডিজের ডোয়াইন ব্রাভো। ১২২ ম্যাচে ১৭০ উইকেট নিয়ে পরের স্থানে লঙ্কান লাসিথ মালিঙ্গা। আরেক ক্যারিবীয় সুনীল নারিনের উইকেট ১৪২ ম্যাচে ১৪৯। পরের স্থানে রশিদ। ৮৩তম ম্যাচে এসে উইকেটের শতক ছুঁয়েছেন ২৩ বর্ষী লেগ স্পিনার।
২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত হায়দরাবাদের হয়ে খেলেছেন রশিদ। ২০২২ মৌসুমে ১৫ কোটি রুপিতে তাকে টানে গুজরাট। নতুন মৌসুমে গুজরাটে ৭ ম্যাচে ৮ উইকেট তুলে শতকে নাম লেখান।
‘এখন পর্যন্ত প্রতিটি ম্যাচে আমরা চারজন ফাস্ট বোলার নিয়ে মাঠে নেমেছি। পিচ পরিবর্তন হতে পারে, সেখানে ঘাস কম থাকতে পারে। আমাদের দলে যথেষ্ট ভারসাম্য আছে। চার পেসারের পাশাপাশি আইপিএলে হ্যাটট্রিক করা শ্রেয়াস গোপালও আছে, যদিও সে এপর্যন্ত মাঠে নামার সুযোগ পায়নি।’
‘আইপিএলে বিশেষ কিছু করে দেখানোর জন্য যথেষ্ট রিজার্ভ আছে। বোলিং নিয়ে আমি খুব চিন্তিত নই। যদিও নিশ্চিত নয়, তবে রশিদ এই দলের সদস্য হলে আমরা হয়ত ৭ ম্যাচের ৭টিতেই জয় পেতাম।’ লারা যোগ করেন।
এ মৌসুমে ৭ ম্যাচে ৫ জয়ে ১০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুইয়ে হায়দরাবাদের। সমান ম্যাচে ৬ জয়ে ১২ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রশিদের গুজরাট টাইটান্স। বুধবার রাত ৮টায় মুখোমুখি হবে গুজরাট-হায়দরাবাদ।







