প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে দাঁড়াতেই পারেনি জিম্বাবুয়ে। সেই বড় হারের স্মৃতি ভুলিয়ে দিয়েছে পরের ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়। দ্বিতীয় দেখায় অবশ্য লঙ্কানদের আরেকবার হারানো যায়নি। সেটি মাথায়ও আনতে চায় না দলটি। লঙ্কা-বধের সুখস্মৃতি নিয়েই গ্রুপপর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে উড়তে থাকা বাংলাদেশকে মোকাবেলা করতে চায় জিম্বাবুয়ে।
‘প্রথম ম্যাচের অভিজ্ঞতা আমাদের ভাল ছিল না। তবে পিচ-কন্ডিশনের সাথে অভ্যস্ত হওয়ার পর দ্বিতীয় ম্যাচে আমরা ভাল করেছি। আর তৃতীয় ম্যাচে উইকেট অনেক বড় ভূমিকা পালন করেছে। ম্যাচের কিছু গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত আমাদের হারিয়ে দিয়েছে। দ্বিতীয় ম্যাচে কিন্তু ঠিকই আমাদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছি। প্রথম ম্যাচের ওই বাজে পারফরমেন্স আর মনে করতে চাই না। দ্বিতীয় ম্যাচের সফলতা স্মরণ করেই কালকের ম্যাচটি আমরা খেলব।’ ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে জিম্বাবুয়ের প্রতিনিধি হয়ে আসা পিটার মুরের পরিস্থিতি-ব্যাখ্যা ছিল এমনই!
বাংলাদেশকে হারালেই জিম্বাবুয়ের ফাইনাল নিশ্চিত হবে বিষয়টা এমনও নয়। আবার হেরে গেলেও ছিটকে যাবে নয় তেমনও। হার-জিত যাই হোক তাকিয়ে থাকতে হবে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার বৃহস্পতিবারের ম্যাচের ফলের দিকে।
ত্রিদেশীয় সিরিজে তিন ম্যাচে একটি করে জয় পেয়েছে শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ে। দুদলেরই একটি করে ম্যাচ বাকি। দুটি ম্যাচেই প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত উভয় দলের পয়েন্ট সমান থাকলে রানরেটে এগিয়ে থাকা দলটি বাংলাদেশের সঙ্গে খেলবে ২৭ জানুয়ারির ফাইনাল। রানরেটে লঙ্কানদের চেয়ে এখনও খানিক এগিয়ে আছে জিম্বাবুয়েই।
রাত পোহালেই নামতে হচ্ছে বাংলাদেশের বিপক্ষে, যারা ব্যাটে-বলে দারুণ সময় কাটাচ্ছে। তবে ফাইনালের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী আশাবাদ রাখলেন মুরও, ‘অবশ্যই আমরা টুর্নামেন্টের ফাইনালকে টার্গেট করে এসেছি। বিষয়টি এমন নয় যে আমরা এখানে খেলার জন্য খেলতে এসেছি। কালকের ম্যাচটি ফাইনালে যেতে গুরুত্বপূর্ণ। ম্যাচটিতে আমরা সবাই ভাল পারফরমেন্স করতে আত্মবিশ্বাসী।’
স্বাগতিক প্রতিপক্ষকে হালকা করে দেখার সুযোগই নেই জিম্বাবুয়ের। তারা সেটা করছেও না। জিম্বাবুয়ের মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান মুর ক্রমেই শক্তিশালী হয়ে ওঠা বাংলাদেশের পেস আক্রমণকে বেশ সমীহ করছেন। বিশেষ করে ডেথ ওভারে মোস্তাফিজ-রুবেলের বোলিং নিয়ে বিশেষ ভাবনায় অতিথি শিবিরে।
‘একটি বিষয় সম্পর্কে আমরা সবাই অবগত আছি, দেশের মাটিতে বাংলাদেশ খুবই শক্তিশালী। সম্প্রতি দেশের বাইরেও ভাল করছে। আমরা বাংলাদেশের শক্তির জায়গাটি ভাল করেই জানি। এও জানি রুবেল ও মোস্তাফিজ ডেথ ওভারে শক্তিশালী। আমরা তাদের প্রতিহত করতে চেষ্টা করব। সেই লক্ষ্যে আমরা অনুশীলনও করেছি। নিকটঅতীত থেকে গুরুত্বপূর্ণ অনেককিছুই শিখেছি। মনে হয় নিজেদের কাজটা সঠিকভাবে করতে সমর্থ হব।’








