মঞ্চটা প্রস্তুতই ছিল। দেখার ছিল কঠিন সেই মঞ্চে কতটা প্রতিরোধী হয়ে উঠতে পারেন বাকি পাঁচ সাউথ আফ্রিকান ব্যাটসম্যান। প্রতিরোধটা আধাবেলার কাছাকাছি পৌঁছেছে। তবে ফলটা পূর্বনির্ধারিতই মিলেছে। দ্বিতীয় টেস্টে প্রোটিয়াদের ১৯৯ রানে হারিয়ে হোয়াইটওয়াশের স্বাদ পেয়েছে শ্রীলঙ্কা।
কলম্বো টেস্টের তৃতীয় দিনেই ৫ ব্যাটসম্যানকে হারিয়েছিল সাউথ আফ্রিকা। ম্যাচ জিততে আরও ৩৫১ রান করতে হত। হাতে দুদিন থাকলেও লঙ্কান স্পিনের সামনে সেটা অসম্ভবই ছিল। দ্বিতীয় ইনিংসে শেষঅবধি ২৯০ পর্যন্ত যেতে পেরেছে সফরকারীরা।
প্রথম ইনিংসে প্রোটিয়ারা করে ১২৪ রান। শ্রীলঙ্কার প্রথম ইনিংসে করা ৩৩৮ রানের জবাবে। পরে দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেটে ২৭৫ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে স্বাগতিকরা। তাতে ৪৮৯ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য দিতে পারে।
চতুর্থদিনে ১৪ রান নিয়ে ক্রিজে আসেন টেম্বা বাভুমা। ফিরেছেন ৬৩ রানে। আরেক অপরাজিত ডি ব্রুইন ৪৫ রানকে টেনে নেন ১০১ পর্যন্ত। তার প্রথম টেস্ট শতক।
ব্রুইন ও বাভুমা ছাড়া কেবল কুইন্টন ডি ককই প্রোটিয়াদের মধ্যে একমাত্র স্বীকৃত ব্যাটসম্যান ছিলেন শেষদিকে প্রতিরোধে নামার অপেক্ষায়। ৮ রানের বেশি অবদান রাখতে পারেননি।
শ্রীলঙ্কার হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেট নিয়ে সেরা রঙ্গনা হেরাথ। অভিজ্ঞ এ স্পিনার প্রথম ইনিংসে পেয়েছিলেন একটি উইকেট। পেরেরা ও ধনঞ্জয়া ২টি করে উইকেট নিয়েছেন।
দিমুথ করুনারত্নে ম্যাচসেরা ও সিরিজ সেরা হয়েছেন। চার ইনিংসে ১৫৮*, ৬০, ৫৩ ও ৮৫ রান এসেছে তার ব্যাটে। প্রথম টেস্টে ২৭৮ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরেছিল প্রোটিয়ারা।








