লক্ষীপুর জেলায় এ বছর যেসব কলা আবাদ হয়েছে তার মধ্যে আটি, বাংলা, শবরি, চাপা, অগ্নিশ্বর ও সাগর অন্যতম। রাস্তার পাশে ও পতিত অনাবাদি জমিতে বিনা চাষে উৎপাদিত হচ্ছে কলা।
একজন কৃষক বলেন, এখানে বিভিন্ন ধরনের কলার চাষ হয়, তবে বাংলা কলার চাষই বেশি। কারণ এটার উৎপাদন খরচ কম। ওষুধ এবং সার খুবই কম লাগে।
কৃষকরা আরো জানান, শবরি এবং অগ্নিশ্বর কলার আবাদ প্রায় বিলুপ্তির পথে। এ জাতের কলায় রাসায়নিক সার বা কীটনাশকের প্রয়োজন হয় না।
একজন কৃষক বলেন, কৃষি অধিদফতর যে কলা টিস্যু দিয়েছে তা থেকে আমরা ভালো সুফল পাচ্ছি না। এক ছড়া কলা দেখিয়ে তিনি বলেন, এই ছড়া আরো বড় হওয়ার কথা ছিলো।কিন্তু বাংলা কলাটা আমাদের এবং চাষের জন্য ভালো।
জেলার রামগতি উপজেলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপাঞ্চল চর গজারিয়ায় কিছু জমিতে এবার কলার চাষ হয়েছে। লক্ষীপুর কৃষি কর্মকর্তা বলেন, বাংলা কলায় সার ও ওষুধের প্রয়োজন হয় না। কৃষকরা এগুলো বিষমুক্তভাবে উৎপাদন করে নিজেরা ভোগ করতে পারে এবং বাজারে বিক্রিও করতে পারে।
বাজারে প্রতি ডজন কলা প্রকারভেদে ৬০-৯০ টাকায় বিক্রি হয়।






