প্রিমিয়ার লিগে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ধুঁকছে। রালফ র্যাঙ্গনিকের অধীনে জ্বলে উঠতে পারছেন না সময়ের অন্যতম সেরা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। সমর্থকদের চাওয়া, আসছে দলবদলে আর্লিং হালান্ডসহ দুই তরুণকে দলে টানা হোক। যে পথে বড় বাধার নাম চেলসি। হালান্ড, হুলেস কৌন্ডে ও ডেক্লান রাইস ত্রয়ীকে রেড ডেভিল ডেরায় আনতে ২৩০ মিলিয়ন খরচের পাশাপাশি ঝাঁপ দিতে হবে চেলসির সাথে লড়াইয়েও।
বরুশিয়া ডর্টমুন্ডে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন হালান্ড। জায়ান্ট ক্লাবগুলোর চোখ আটকে আছে তার উপর। দুই স্প্যানিশ রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনা বহু আগে থেকেই পাখির চোখ করে আছে। লিভারপুলও জানিয়েছে আগ্রহের কথা। চেলসিরও চাওয়া ব্লুজ জার্সিতেই মাঠে নামুক ২১ বর্ষী তারকা।
ডর্টমুন্ডে নরওয়ে তারকার চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে আসছে মৌসুমে। দলকে নতুন করে গড়তে চাচ্ছে চেলসি। আসছে দলবদলে কৌন্ডে-হালান্ড-রাইসকে আনতে ২৩০ মিলিয়ন খরচ করতে চাওয়ার কথাও জানিয়ে রেখেছে চেলসি।
চেলসির বিশাল অঙ্কের পারিশ্রমিক প্রস্তাবের কথা জানা আছে র্যাঙ্গনিকের। তাই উচ্চাভিলাষী স্বপ্ন দেখতে নারাজ ম্যানইউ কোচ। সমর্থকদের তীব্র আগ্রহের কথা অবশ্য ভেবে দেখবেন বলেছেন।
‘সরল বাস্তবতা এটাই যে, তাদের দলে আনতে আমাদের স্রোতের বিপরীতে হাঁটতে হবে। যেখানে হালান্ডকে ফ্রিতে দলে যুক্ত করার সুযোগ থাকলেও মোটা অঙ্কের অর্থ গুনতে হবে এজেন্ট ও তরা পিতাকে রাজি করাতে। আমরা এখনই কোনো সিদ্ধান্ত নিচ্ছি না। আমরা ভক্তদের কথা ভেবে দেখব।’
২০২০ সালে সলজবুর্গ থেকে ১৬.৭ মিলিয়ন পাউন্ডে বরুশিয়া ডর্টমুন্ডে যোগ দিয়েছিলেন হালান্ড। পরে নিজেকে নিয়ে গেছেন ক্লাবগুলোর পছন্দের শীর্ষে। স্প্যানিশ গণমাধ্যম মার্কার মতে হালান্ডের বর্তমান বাজারমূল্য ৪৬.৭ মিলিয়ন ইউরো। তাকে চার বছরের জন্য দলে টানার সুযোগ থাকছে ক্লাবগুলোর।
হালান্ডের এজেন্ট মিনো রাইওলা ১২.৫ ও তার পিতা পাবেন ৮.৩ মিলিয়ন, যা প্রায় অবিশ্বাস্য। তাই এ মুহূর্তে উচ্চাভিলাষী হতে চান না র্যাঙ্গনিক।








