ভাষায় মিল থাকায় রোহিঙ্গারা ছড়িয়ে পড়ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে, ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এসব রোহিঙ্গাদের ক্যাম্পে ফেরাতে কাজ শুরু করেছে উখিয়া ও টেকনাফের স্থানীয় প্রশাসন।
প্রাণের ভয়ে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা বাংলাদেশে প্রথমে ৪ লাখ রোহিঙ্গা প্রবেশ করে। এদের সঙ্গে নতুন করে যুক্ত হয়েছে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ। বর্তমানে যোগ হয়ে উখিয়া ও টেকনাফে রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা ৯ লাখ।
শেষ আদমশুমারিতে উখিয়া ও টেকনাফে লোক সংখ্যা ৪ লাখ সত্তর হাজার। স্থানীয় জনসংখ্যার চেয়ে এখন প্রায় দ্বিগুণ রোহিঙ্গারা। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে নিত্য পণ্যসহ গণপরিবহনের ভাড়া নিয়ে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে এক জায়গায় জড়ো করতে কাজ শুরু করছে স্থানীয় প্রশাসন।
উখিয়ার কুতুপালং থেকে বালুখালি এলাকায় দু’হাজার একর জায়গায় রোহিঙ্গাদের থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সেখানে এখন প্রতিদিনই জড়ো হচ্ছে রোহিঙ্গারা। তবে অনেকে আবার কক্সবাজার ছাড়ার চেষ্টায় আছেন। এমন পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের বায়োমেট্রিক নিবন্ধন কাজ দ্রুত শেষ করতে কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি কম্পিউটার বাড়ানোর কথা বলেছেন পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।
মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের অনেকেই বায়োমেট্রিক নিবন্ধন না করেই কক্সবাজার শহর হয়ে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ছে। টেকনাফ ও উখিয়ায় পর্যাপ্ত তল্লাশি থাকলেও কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে রোহিঙ্গাদের উদ্ধার করা হচ্ছে।
শুধু র্যাব এ পর্যন্ত প্রায় চারহাজার রোহিঙ্গা আটক করে উখিয়ার শিবিরে পৌঁছে দিয়েছে। পুলিশ ও বিজিবিও মোড়ে মোড়ে তল্লাশি চালিয়ে রোহিঙ্গাদের আটক করে ক্যাম্পে ফেরত পাঠাচ্ছে।
বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:






