কফি আনান কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাখাইনে চলমান রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী সমাধান মিয়ানমারকেই করতে হবে বলে মনে করে যুক্তরাজ্য। এছাড়া রোহিঙ্গারা যেন তাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারে ফিরে যেতে পারে এবং সেখানে নিরাপদে থাকতে পারে তারও নিশ্চয়তা চায় ব্রিটিশ সরকার। একইসঙ্গে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের জন্য তারা প্রায় ৩০ মিলিয়ন পাউন্ড সহযোগিতা ঘোষণা করেছে।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থানের প্রশংসা করে ব্রিটিশ হাইকমিশনার অ্যালিসন ব্লেক জানালেন, রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে ফিরে যাবে সেটাই দেখতে চায় যুক্তরাজ্য। তিনি বলেন, ‘আমাদের অবস্থান খুব পরিষ্কার। এই হামলা ও সহিংসতার জন্য দায়ী মিয়ানমারের সেনা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে থামাতে হবে এবং বিচারের আওতায় আনতে হবে।
আমরা মিয়ানমার সরকারের কাছে কফি আনান কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের দাবি করছি, যেখানে বলা আছে, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী যেন তার দেশে ফিরে গিয়ে পূর্ণ মর্যাদা ও অধিকার নিয়ে নিরাপদ থাকতে পারে।’
উদ্ভূত সমস্যার স্থায়ী সমাধানের দাবি তুলে হাইকমিশনার জানান, ‘বাংলাদেশ এমন একটা সমস্যার মধ্যে আছে যেটা এদেশে সৃষ্টি হয়নি। সে কারণে সমাধানটাও মিয়ানমারে হতে হবে। তাই শুধু মানবতার খাতিরে পাশে দাঁড়ানো কিংবা সহিংসতা বন্ধ করা নয়, বরং আমরা মনে করি এই সমস্যার একটা দীর্ঘমেয়াদী রাজনৈতিক সমাধান প্রয়োজন। তবে এই মুহূর্তে রোহিঙ্গাদের পাশে দাাঁড়ানো জরুরি। তাই আমরা রোহিঙ্গাদের জন্য প্রায় ৩০ মিলিয়ন পাউন্ড সহযোগিতা দিচ্ছি।’
রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর পাশে দাড়ানোর পাশাপাশি বাংলাদেশের বন্যা কবলিত মানুষের জন্যও সহযোগিতা দেয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।








