বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের প্রথম বৈঠকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হয়েছে।
নেপিডোতে বৈঠক শেষে চূড়ান্ত হওয়া ওই প্রক্রিয়ায়, বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আগের চুক্তি অনুযায়ী ফেরত নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
নতুন সমঝোতা অনুযায়ী শুরুর দিন থেকে দুই বছরের মধ্যে রোহিঙ্গাদের সবাইকে ফেরত নেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে একটি পরিবারকে একটি ইউনিট ধরে প্রত্যাবাসন করা হবে।
যাচাই বাছাইয়ের জন্য একটি নির্দিষ্ট ফর্ম তৈরি করা হবে। চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ ৫টি ট্রানজিট ক্যাম্প তৈরি করবে এবং মিয়ানমার ২টি অভ্যর্থনা কেন্দ্রের মাধ্যমে তাদের গ্রহণ করবে। মিয়ানমার আপাতত একটি অস্থায়ী ক্যাম্পে তাদের আবাসনের ব্যবস্থা করবে।
প্রতি সপ্তাহে ১৫০০ জন অর্থাৎ প্রতিদিন ৩০০ করে রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার। এভাবে পাঠানো হলে দুই বছরে রোহিঙ্গা পাঠানো যাবে ১৫৬,০০০ জন। তবে তিনমাস পরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়া দুই পক্ষ থেকেই পুনরায় পর্যবেক্ষণ করা হবে।
তবে কবে থেকে এই প্রত্যাবাসন শুরু হচ্ছে সেই বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। শুধু জানা গেছে শুরুতে তাদের জন্য ক্যাম্পে থাকার ব্যবস্থা করা হবে, পরবর্তীতে বাড়ির ব্যবস্থা করা হবে।
এই প্রক্রিয়ায় এতিম শিশু ও অন্যায় ঘটনায় জন্ম নেওয়া শিশুদেরও ফেরত নেওয়া হবে।
গত নভেম্বরে দুই দেশের মধ্যে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। নেপিডোতে হওয়া জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের প্রথম বৈঠকে এই বিষয়ে বাকি সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়।








