মিয়ানমার-রোহিঙ্গা-বাংলাদেশ ইস্যুতে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের অবস্থান নিয়ে আলোচনা চলছে গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যম জুড়ে।
সহিংসতা থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের দেশে আশ্রয় দিয়েও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেখানে বহির্বিশ্বের যথেষ্ট সমর্থন পাচ্ছেন না, সেখানে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে রাখার আহ্বান জানিয়ে তাদের এককালীন কিছু ত্রাণ সহায়তা পাঠিয়ে সবার প্রশংসা পাচ্ছেন এরদোগান – এমন মন্তব্য করে জনপ্রিয় সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন ব্যবসায়ী ও সমাজকর্মী আসিফ চৌধুরী।
স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন:
‘রোহিঙ্গাদের প্রতি আপনার সহানুভূতি/ভালবাসা যে লাইনে, আমারটা ভিন্ন। যে ভালবাসায় ‘রাজনৈতিক লিটমাস পেপার’ থাকে, সে শুষে খায় আর শেষ করে।
এবার আশা যাক, গত ক’দিনে রোহিঙ্গা ইস্যুতে ঘটে যাওয়া, কিছু ঘটনায় আমার বিশ্লেষণ:
এক. এরদোগান সিরিয়ার এক জনগোষ্ঠীর কাছে ‘ইসলামি নেতা’ আবার পশ্চিমাদের ‘কাছের মানুষ’!
তিনি নিজেকে ভাবেন ‘মুসলিম বিশ্বের নেতা’, আবার ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে টার্কির পার্লামেন্টে ভাষণের সুযোগ দেন!
সিরিয়ার গণতন্ত্র নিয়ে ভীষন উদ্বিগ্ন কিন্তু রাজা-বাদশা শাসিত আরব বিশ্বের কোন দেশ নিয়ে টু-শব্দ নেই!
এরদোগানের কাছে আইএস অমুসলিম, আবার আইএস চুরির তেলের বড় ক্রেতাও সে!
ইসরায়েল ফিলিস্তিনে হামলা করলে এরদোগান নিন্দা করে আবার তাদের সাথে সামরিক চুক্তি জোরদারও হয়!
সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে এরদোগান খুব ‘কঠোর’, যদিও সিরিয়ার সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ‘আর্মি অব কনকোয়েস্ট’, আল-নুসরাসহ বিভিন্ন গোষ্ঠীকে অন্ধভাবে সমর্থন দেন!!
সিরিয়ান রিফিউজি নিয়ে ইনার মাথা-ব্যথ্যা নেই, কিন্তু রোহিঙ্গা নিয়ে চিন্তায় অস্থির!!
দুই. সরকারের মানবিকতায় তো রোহিঙ্গারা ঢুকতেছে। তাও শেখ হাসিনার ‘দোষ’, আর এরদোগান প্রশংসিত!?
তিন. রোহিঙ্গা ‘ইস্যুতে’ আমরা কূটনৈতিকভাবে মিয়ানমারের কাছে ‘মাইর’ খাইছি। এর ফলাফল ভাল না। উদাহরণ মোদি বাবুর সাথে চুক্তিনামা।’







