রাশিয়া বিশ্বকাপে পর্তুগালের সম্ভাবনা কতটুকু? হোসে মরিনহোর দাবি ‘অর্ধেক-অর্ধেক’! নিজ দেশের জাতীয় দলের মূল্যায়ন করতে গিয়ে স্পেশাল ওয়ান বলছেন, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো থাকলে বিশ্বকাপ জিতেও যেতে পারে পর্তুগিজরা।
আর রোনালদো না থাকলে? মরিনহো বলছেন, কানাকড়ি মূল্যও নেই ২০১৬ ইউরো জয়ী দলটির। লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা সম্পর্কেও একই ভবিষ্যৎবাণী ম্যানইউ কোচের।
২০১৬ সালে ফুটবল ইতিহাসে প্রথমবারের মত পর্তুগালকে কোন বৈশ্বিক শিরোপা জিতিয়েছিলেন রোনালদো। ফ্রান্সের বিপক্ষে টুর্নামেন্টের ফাইনালে চোটের কারণে অবশ্য খেলা হয়নি সিআর সেভেনের। কিন্তু ডাগআউটে তার উপস্থিতিই বদলে দিয়েছিল পর্তুগিজদের মনোভাব। প্রথমবারের মতো কোন শিরোপা জিতে নেয় দেশটি।
বয়স ৩৩ চললেও এবারের ঘরোয়া মৌসুমে দারুণ ঝলমলে রোনালদো। শুরুতে খরায় ভুগলেও সবধরনের প্রতিযোগিতায় ইতিমধ্যেই ৪২ গোল হয়ে গেছে পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী মহাতারকার। ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদকে তুলেছেন টানা তৃতীয়বারের মত চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে।
ইএসপিএন ব্রাজিলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে মরিনহোর দাবি, রোনালদো বিশ্বকাপে এমন পারফরম্যান্স দেখাতে পারলেই যেকোনো কিছু করতে পারবে পর্তুগাল।
‘পর্তুগাল দলটা এবার বিশেষ একটা দল। তবে রোনালদোকে ছাড়া এ দলটা কিছুই না। আবার সে থাকলে সবকিছুই সম্ভব।’
মেসিকে নিয়েও এমন ধারণা চেলসি, রিয়াল মাদ্রিদ, ইন্টার মিলান, পোর্তোর মত দলকে কোচিং করানো মরিনহোর, ‘আমার বিশ্বাস মেসিকে ছাড়া আর্জেন্টিনা একদমই প্রতিদ্বন্দ্বীতা গড়তে পারবে না। আর সে থাকলে দলটা সেরাদের একটি।’
মরিনহোর চোখে এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে গোছানো দলের একটি ব্রাজিল। পাঁচবারের বিশ্বসেরা দেশটির উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন রেডডেভিল কোচ।
‘ব্রাজিল দলটির গঠন, ট্যাকটিস আর মানসিকতা আমার দারুণ পছন্দ। ব্রাজিলিয়ানদের চিরাচরিত প্রতিভার সঙ্গে ফিটনেস ও কৌশলের দারুণ মিশেল আছে দলটিতে। দারুণ রক্ষণ আছে, গোল করতে পারা আর করানোর মত খেলোয়াড় আছে দলটিতে। নেইমার, কৌতিনহো, জেসাস; সবধরনের খেলোয়াড় আছে ব্রাজিল দলে।’







