শ্রম আইন সংস্কার, কর্মঘণ্টা কমানোসহ বিভিন্ন দাবিতে রেলকর্মীদের ডাকা অবরোধে প্রায় অচল হয়ে পড়েছে ফ্রান্সের পরিবহন ব্যবস্থা। ধর্মঘটের কারণে সারাদেশে জ্বালানি সরবরাহ মারাত্মাকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। সৃষ্ট পরিস্থিতিতে নিজের কানাডা সফর বাতিল করেছেন প্রধানমন্ত্রী ম্যানুয়েল ভালাস।
কিন্তু ফরাসি প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদ জোর দিয়ে বলেছেন, যে আইন আছে সেটা থেকে সরে আসবেনা তার সরকার। বর্তমান আইনে কর্মীদের সহজে নিয়োগ ও বরখাস্ত করতে পারে কর্তৃপক্ষ।
ফ্রান্সের মতো শ্রমিক ধর্মঘট চলছে প্রতিবেশী বেলজিয়ামেও। পাবলিক সেক্টরে বাজেট কাটছাটের বিরুদ্ধে ধর্মঘট করছে বেলজিয়ামের শ্রমিকরা। বেলজিয়ামের ধর্মঘটে যোগ দিয়েছে পুলিশ অফিসার, শিক্ষক এবং সিভিল সার্ভিসের কর্মকর্তা কর্মচারীরা।
ফ্রান্সে ধর্মঘটের কারণে গত এক সপ্তাহ ধরে দেশের সবচেয়ে বড় আটটি তেল শােধনাগারের ছয়টিই বন্ধ রয়েছে। মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে জ্বালানি সরবরাহ।
দেশের উত্তরাঞ্চলীয় দুটি পোর্টে জ্বালানিসহ পণ্য সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে ধর্মঘটকারীরা। রেলকর্মীদের ধর্মঘটে সমর্থন দিয়েছে দেশটির অন্যান্য শ্রমিক সংগঠনগুলোও।
গত সপ্তাহে ধর্মঘট চলাকালে বিক্ষােভকারীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। চলমান পরিস্থিতি নিয়ে উভয় পক্ষকে সতর্ক করেছে ফ্রান্সের পর্যটন করপোরেশন।
ফরাসি দৈনিক ডু ডিমান্সি’র এক জরিপ বলছে, দৈনন্দিন জীবনে নানা রকম সমস্যা হলেও ৪৬ শতাংশ ফরাসি এই ধর্মঘটকে সমর্থন করছেন।








