অবৈধ সম্পদের মামলায় খালাস সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায় বাতিল করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ পিটিশন দাখিল করেছেন ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া।
সোমবার তার পক্ষের আইনজীবী আবদুল বাসেত মজুমদার সুপ্রিমকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই পিটিশন দাখিল করেন। পিটিশনে আপিল বিভাগের রায় পুনঃবিবেচনার জন্য আবেদন জানানো হয়েছে।
অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় ২০০৭ সালে বিশেষ জজ আদালত তাকে ১৩ বছরের সাজা দিয়েছিলো। পরে আপিলে হাইকোর্ট ওই সাজা বাতিল করে দেয়। হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে দুদক।
গত ১৪ জুন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা দুর্নীতির ওই মামলায় মায়াকে হাইকোর্টের দেওয়া খালাসের রায় বাতিল করেন প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বে আপিল বিভাগের তিন সদস্যের বেঞ্চ। একইসঙ্গে হাইকোর্টে নতুন করে আপিল শুনানির নির্দেশও দেওয়া হয়।
গত ২৬ জুলাই আপিল বিভাগের নির্দেশে মায়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলার পুনঃশুনানির জন্য হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছে দুদক। ওইদিন পুনঃশুনানির দিন ধার্য করার জন্য বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চে আবেদন জানান দুদকের আইনজীবী অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান।
অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের দায়ের করা মামলায় ২০১০ সালের ২৭ অক্টোবর আওয়ামী লীগের এ নেতার ১৩ বছরের কারাদণ্ড বাতিল করেছিলেন হাইকোর্ট।
২০০৮ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশেষ জজ আদালত মায়াকে ওই সাজা দেন। রায়ে মায়াকে ১৩ বছর কারাদণ্ড ও পাঁচ কোটি টাকা জরিমানা এবং তার প্রায় ছয় কোটি টাকার সম্পদ বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করা হয়।
২০০৭ সালের ১৩ জুন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক নূরুল আলম সূত্রাপুর থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় তার বিরুদ্ধে ২৯ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ আনা হয়।







