সেই ৮ বছর আগে যখন সিদ্ধান্ত হয় প্রথমবারের মতো ২০১৮ বিশ্বকাপ ফুটবলের আয়োজন করবে রাশিয়া। তখন থেকেই বর্ণাঢ্য এ আয়োজন নিয়ে বিতর্কের ঊর্ধ্বে ছিল না দেশটি। দুর্নীতিসহ নানা অভিযোগের পর এবার মানবাধিকার লঙ্ঘনের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েছে রাশিয়া।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়াকে বিশ্বকাপের আয়োজক রাষ্ট্র ঘোষণার পর দেশটিতে নানাভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে।
১৪ জুন থেকে শুরু হওয়া এ অায়োজনে আন্তর্জাতিক মনোযোগের পুরোটাই থাকবে রাশিয়াকে ঘিরে। এ সময় মানবাধিকার কর্মীদের জন্য জরুরি সুরক্ষার আহ্বান জানিয়েছে অ্যামনেস্টি।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, রাশিয়াকে বিশ্বকাপের আয়োজক ঘোষণার পর দেশটিতে মানবাধিকার কর্মীদের নিরাপত্তার অবনতি হয়েছে। বিভিন্ন এনজিও অফিস এবং কর্মীদের ওপর শারীরিক আক্রমের পাশাপাশি কার্যক্রমের উপরও আরোপ করা হয়েছে নতুন নতুন নিষেধাজ্ঞা।
সংস্থাটি বলছে, রাশিয়ার জনগণের স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের অধিকার ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। বিশেষত, ধর্মীয় সংখ্যালঘুসহ অন্যরা সহিংসতা এবং বৈষম্যের শিকার হচ্ছে।
ফুটবল বিশ্বকাপকে উজ্জীবিত করতে অ্যামনেস্টি রাশিয়ার প্রতিটি ভেন্যুতে থাকা তাদের ১১ জন রাশিয়ান মানবাধিকার কর্মীকে উদ্ধৃত করেছে প্রতিবেদনে। তাদের বেশির ভাগই মানবাধিকার রক্ষার জন্য নিজেদের জীবন ঝুঁকির কথা বলেছে। যাদের কেউ কেউ ছয় মাস ধরে রাশিয়ার কারাগারে আছে।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের যুক্তরাজ্যের পরিচালক কেট অ্যালেন বলেন, বিশ্বকাপের আয়োজনে রাশিয়ার কর্তৃপক্ষকে বুঝতে হবে, তাদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি বিশ্বকাপ শুরুর পর আরো বেশি মনোযোগ পাবে আন্তর্জাতিক মহলে।








