রাশিয়ান ট্যাঙ্ক ঠেকানোর জন্য একটি সেতু ধ্বংস করতে গিয়ে বোমার আঘাতে এক ইউক্রেনীয় সৈন্য আত্মাহুতি দিয়েছে। ট্যাঙ্কের সারি থামাতে গিয়ে ভিটালি স্কাকুন ভোলোডিমাইরোভিচ নামের ওই সেনার আত্মত্যাগকে প্রশংসা করে তাকে নায়ক হিসেবে উল্লেখ করেছে ইউক্রেন।
ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর ফেসবুক পোস্টের বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানায়, রাশিয়ান ট্যাঙ্কগুলো ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় খেরসন প্রদেশে প্রবেশ করার সময় তাকে হেনিচেস্ক সেতুর দায়িত্বে মোতায়েন করা হয়েছিল।
সেতুটি এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে যা ক্রিমিয়া এবং ইউক্রেনের মূল ভূখণ্ডকে যুক্ত করে। রাশিয়ান বাহিনী তার দিকে ছুটে আসার সাথে সাথে সৈনিকটি বুঝতে পেরেছিল যে তার কাছে ফিউজ সেট করা এবং নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত সময় নেই। তাৎক্ষণিকভাবে তিনি নিজেকে উড়িয়ে দিয়ে সেতুটি ধ্বংস করেন।
বৃহস্পতিবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তার সেনাদের ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করার নির্দেশ দেন। শীঘ্রই, ইউক্রেনীয় শহরগুলিতে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু হয়। সৈন্যরা ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিতে প্রবেশ করতে শুরু করে।
আজ সকালে রাশিয়ান বাহিনী রাজধানী কিয়েভের ঠিক বাইরে নিজেদের শক্ত অবস্থান নিয়েছে এবং ইউক্রেনীয় বাহিনীর সাথে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে।
রাশিয়ান এবং ইউক্রেনীয় সরকার যুদ্ধের অবসানে আলোচনার টেবিলে যেতে চাইলেও উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি অর্জিত হয়নি।
ইউক্রেন দাবি করেছে, পাল্টা হামলায় এখন পর্যন্ত এক হাজার রুশ সৈন্য নিহত হয়েছে। তবে রাশিয়া হতাহতের পরিসংখ্যান প্রকাশ করেনি।







