টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে ‘সুপার এইট’ মিশনে যাত্রা অব্যাহত রাখতে রাতে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। সেন্ট ভিনসেন্টের আর্নস ভেল স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায় শুরু হবে ম্যাচ। ডাচদের বিপক্ষে চারটি টি-টুয়েন্টি খেলে টিম টাইগার্সের জয় তিনটিতে। ২০১২ সালে মুখোমুখি প্রথম দেখায় হারের পর সবকটি ম্যাচই জিতেছে বাংলাদেশ।
বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয়ের ভেন্যু কিংসটাউনে ফিরে নিশ্চয় স্মৃতির ভেলায় ফিরে গেছেন সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। সেন্ট ভিনসেন্টে ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৯৫ রানে হারিয়েছিল মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার দল।
দেড়দশক আগে বাংলাদেশের স্মরণীয় টেস্টের দুই ক্রিকেটার সাকিব-মাহমুদউল্লাহ করেছিলেন দুর্দান্ত পারফরম্যান্স। টেস্ট অভিষেকে দ্বিতীয় ইনিংসে মাহমুদউল্লাহর ৫ উইকেট, ম্যাচে ৮ উইকেট। পাশাপাশি সাকিবের দুই ইনিংস মিলে ৪৭ রান, ৫ উইকেট।
বিশ্বকাপে সাকিবের অফফর্ম চিন্তায় ফেলেছে বাংলাদেশ দলকে। দেশসেরা অলরাউন্ডার আছেন নিজের ছায়া হয়ে।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৮, সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে ৩ রানে আউট হয়েছেন সাকিব। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বিলিয়ে এসেছেন উইকেট। বোলিংয়ে উইকেটের খাতা এখনো খুলতে পারেননি আসরে। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে করেছেন মোটে ১ ওভার।
তানজিম-মোস্তাফিজদের সুসময়ে বোলিংয়ে সাকিবের প্রয়োজনীয়তা কমে এসেছে। ব্যাটিংয়ে রাখতে পারছেন না ভরসার বিন্দুমাত্র ছাপ। যদিও মাহমুদউল্লাহ বুড়ো হারের ভেল্কিতে সবার মন জয় করে নিয়েছেন। মিডলঅর্ডারে তাওহীদ হৃদয়ের সঙ্গে আস্থার প্রতিদান দিচ্ছেন জুটি গড়ে।
দুশ্চিন্তা রয়েছে টপঅর্ডার নিয়েও। ওপেনিংয়ের পাশাপাশি জ্বলে উঠতে পারছেন না অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে সব ম্যাচই জিতেছে বাংলাদেশ। ২০১৬ সালে ভারতের ধর্মশালায় এবং ২০২২ সালে অস্ট্রেলিয়ার হোবার্টে জিতেছে বাংলাদেশ। একযুগ আগের একমাত্র হারটি দ্বিপাক্ষিক সিরিজে।








