একাত্তরের দুই ঘাতক সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসির দণ্ডাদেশ আজই কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মারুফ হাসান। শনিবার রাত ১০টার পরে কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাষ্ট্রপতির প্রাণভিক্ষা নাকচের নথি ও ফাঁসি কার্যকরের নির্বাহী আদেশ নিয়ে যাওয়া হয় কারাগারে। এর আগে ফাঁসি কার্যকরের সকল আনুষ্ঠানিকতাই শেষ করে কারা কর্তৃপক্ষ।
কারাগারের ভেতরে গেছেন আইজি প্রিজন, ঢাকার জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন এবং দুইজন ম্যাজিস্ট্রেট।
এ দুই মানবতাবিরোধী অপরাধীর প্রাণভিক্ষার আবেদন রাষ্ট্রপতি নাকচ করেছেন এবং দুজনের স্বজনদেরও শেষ দেখা করার জন্য কারাগারে ডেকে পাঠানো হয়েছে।
ইতিমধ্যে ফাঁসির মঞ্চের পাশাপাশি প্রস্তুত রাখা হয়েছে সাতজন জল্লাদকে। জামায়াত নেতা কাদের মোল্লা ও কামারুজ্জামানের ফাঁসি নিশ্চিত করা জল্লাদ শাজাহানের নেতৃত্বে ওইসব জল্লাদ প্রস্তুত রয়েছেন।
কারাগারের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, সন্ধ্যার পরপরই ফাঁসির মঞ্চে সামিয়ানা টানানো হয়েছে। মঞ্চের আশেপাশে আলোর ব্যবস্থা করার জন্য বিদ্যুতের সংযোগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রস্তুত রাখা হয়েছে ঢাকা মেডিকেলের দুইটি এ্যাম্বুলেন্সও।







