একদিন নয়, দুদিন নয়। নয় এক বছর কিংবা দুই বছর। টানা ১৪ বছর কোকেনে আসক্ত ছিলেন ম্যারাডোনা। এক সময় চলে যান কোমায়। তারপর সুস্থ হয়ে শুরু করেন দ্বিতীয় জীবন। মেক্সিকান একটি ক্লাবের দায়িত্ব নেয়ার দিন নিজেই শুনিয়েছেন কোকেনে ডুবে থাকার সেই দুঃসহ দিনগুলোর কথা।
‘১৪ বছর অসুস্থ ছিলাম। এখন সূর্য দেখতে চাই। রাতে বিছানায় যেতে চাই। এমন সময় ছিল, যখন কখনো বিছানায় যেতাম না। জানতাম না কেমন ছিল বালিশ,’ উপস্থিত ২০০ সাংবাদিকের সামনে বলতে থাকেন ম্যারাডোনা, ‘অসুস্থ থাকার সময় যা হারিয়েছি এই ক্লাবকে তাই দিতে চাই। আর এ জন্যই ডোরাডোসের প্রস্তাব গ্রহণ করেছি।’
মেক্সিকো ম্যারাডোনার কাছে এমনিতে স্মরণীয় এক দেশের নাম। ১৯৮৬ সালে এখানেই দেশকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বানিয়েছিলেন।
স্মরণীয় দেশে ফেরার পর ম্যারাডোনাকে ঘিরে নানামুখী আলোচনা জমে উঠেছে। এই সিনালোয়া প্রদেশ মাদকের জন্য কুখ্যাত। বেশ কয়েকজন আন্তর্জাতিক মাদক ব্যবসায়ীর বসবাস এখানে।
ম্যারাডোনা অবশ্য সেসব পাত্তা দিতে চান না। ১৫ দলের মধ্যে ১৩তম স্থানে থাকা ক্লাবকে টেনে তুলতে চান। দিতে চান পরিচিতি।
‘দীর্ঘ সময় এখানে থাকতে চাই। লোকে অনেক কিছু বলতে পারে। কিন্তু আমি সামনে তাকাতে চাই।’
জনাকীর্ণ সম্মেলনে ম্যারাডোনা নিজের মেয়ের কথা স্মরণ করেন। যখন কোমায় ছিলেন, তখন ছোট মেয়ের বয়স ছিল চার। তার টানেই নাকি বেঁচে ওঠেন। ফিরে আসেন ফুটবল মাঠে।








